ডায়বেটিস রোগীরা করোনা আতঙ্কে? রইল তা মোকাবিলা করার জন্য ৭ পরামর্শ! - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

ডায়বেটিস রোগীরা করোনা আতঙ্কে? রইল তা মোকাবিলা করার জন্য ৭ পরামর্শ!

সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইটে ডায়াবেটিস মোকাবেলার ৭টি পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

১. আপনি কি বছরে অন্তত একবার শরীর পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন? আমাদের শরীরের সুস্থতার জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। এর মাধ্যমে আমরা শরীরে…



সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইটে ডায়াবেটিস মোকাবেলার ৭টি পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

১. আপনি কি বছরে অন্তত একবার শরীর পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন? আমাদের শরীরের সুস্থতার জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। এর মাধ্যমে আমরা শরীরের অবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে পারি। কিন্তু, অনেকেই অলসতা করে হাসপাতালে যান না। এক্ষেত্রে, বিশেষভাবে বলতে চাই যে, ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্য শরীরের সার্বিক পরীক্ষা জরুরি। আপনি যদি কোথাও বেড়াতে যেতে চান, তাহলে তার আগে শরীরের অবস্থা সুষ্ঠুভাবে জানা প্রয়োজন। হ্যাঁ, হাসপাতালে যান, শরীর পরীক্ষা করুন। এর মধ্যে, গুরুত্বপূর্ণ হলো, ECG, খাওয়ার আগে ও খাওয়ার পরে ব্লাড-সুগার মাপা এবং ইউরিন টেস্ট ইত্যাদি।

২. ব্লাড-সুগার কমানোর ওষুধ হাতের কাছে রাখা

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডায়াবেটিসের জন্য হাতের কাছে সবসময় ব্লাড-সুগার কমানোর ওষুধ রাখা দরকার। বেড়াতে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখা হলো, পর্যটন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার এক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। ওরাল ওষুধ অথবা ইনসুলিন হলে, তা প্রতিদিনের তুলনায় দ্বিগণ পরিমাণ নেয়া উচিত। এছাড়া, ইনসুলিন পাইপ, গ্লুকোজ পরিমাপক গ্লুকোজ টেস্টারটিও কাছে রাখা যেতে পারে।

৩. পর্যাপ্ত জল ও খাবারও খুবই গুরুত্বপূর্ণ 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত জল ও খাবার সঙ্গে রাখতে। ডায়াবেটিসের জন্য সব সময় হালকা খাবার যেমন, বিস্কুট , মিছ্‌রি ও রুটি রাখা দরকার। কারণ ব্লাড-সুগার অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলে এসব খেতে হয়। ডায়াবেটিস হলে প্রতিদিন নিয়মিত সময় খাবার খাওয়া উচিত। যদি কাজের চাপে নিয়মিত খেতে না পারেন, তাহলে হাতের কাছে পর্যাপ্ত জল ও খাবার রাখবেন। এটি আমাদের হাইপোগ্লাইসিমিয়া প্রতিরোধে সহায়ক।

৪. শরীর চর্চা

শরীর চর্চা খুবই ভালো অভ্যাস। এটি কিন্তু, নিয়মিত ও পরিমিত করা উচিত। শরীর চর্চা বেশি হলে, তা আমাদের দেহে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আমাদের সঠিক মাত্রায় শরীর চর্চা করা উচিত। আর, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশি পরিমাণ শরীর চর্চা করতে নিষেধ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তা নাহলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও রক্তনালীর রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। আরেকটি কথা বলা দরকার যে, শরীর চর্চার সময় ঢিলে-ঢালা ও আরামদায়ক জুতা-মোজা পরা উচিত। এতে আমাদের পায়ে আরাম লাগবে।


















৫. স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা

আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে, ভাল ও সুস্থ শরীরের জন্য প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া দরকার। কিন্তু, বিভিন্ন রকম ব্যস্ততায় এ বিষয়ে অনেকেরই মনোযোগ দেয়া হয় না। এক্ষেত্রে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আরো বেশি সচেতন হওয়া দরকার। যদি আপনার গ্যাসটোএন্‌টোরাইসিস বা পাকস্থলী ও অন্ত্রে ব্যথা অনুভূত হয়, তাহলে ব্লাড-সুগার কমানোর ওষুধ ও ইনসুলিন বন্ধ করুন। ডাক্তারের কাছে যান, তার পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

৬. ভ্রমণকালীন সমস্যার জন্য সাবধানতা অবলম্বন করা

আমাদের অনেকেরই Motion sickness ও Sea sickness থাকতে পারে। ভ্রমণের সময়ই এটি বেশি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, তীব্র স্টমাক পেইন হতে পারে। বেশি বমি হলে, শরীরে জলশূন্যতা দেখা দেয়। এটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক ক্ষতিকর। তাই, যাদের এ সমস্যাটি রয়েছে, তাদের প্রথমেই উচিত মোশন সিকনেস প্রতিরোধক ওষুধ খেয়ে নেয়া, তারপর ভ্রমণে বের হওয়া। তা নাহলে পথে মাঝে হঠাত অসুস্থ হওয়া খুবই কষ্টকর ও বিব্রতকর।

৭. এটি হলো, ইনসুলিনের সুষ্ঠু সংরক্ষণ

ইনসুলিন ব্যবহারকারীরা হয়তো সবাই জানেন। কিন্তু অসাবধানতা বশত: কেউ কেউ ভুল করে ফেলেন। তাদের জন্যই এ পরামর্শ। সঠিকভাবে ইনসুলিনের সংরক্ষণ নিঃসন্দেহে জরুরি একটি কাজ। ইনসুলিন ফ্রিজে রাখতে হয়। কারণ, তাপমাত্রা কম বা বেশি হলে, ইনসুলিনের উপাদান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ভ্রমণের সময় হাত ব্যাগের ভেতর ইনসুলিন রেখে দিন। ইনসুলিন কখনোই লাগেজে দেবেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ যাত্রার সময়, বিশেষ করে বিমানে বা বাসে চরলে, ইনসুলিনকে হাতের নাগালে রাখুন। এবং তা যত কম সময় রাখা যায়।

No comments