উত্তরাখণ্ডের রাজাই জাতীয় উদ্যানে পোষ্যদের আহত করার জন্য সুখপাল বিষ দিয়ে প্রাণে মেরে ফেললো তিনটি চিতাবাঘকে। পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে, তাঁর ১২ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে। হরিদ্বারে ছোটবেলা কাটানো সুখপাল, স্ত্রীয়ের সাথে থাকতেন রাজাই এলাকাতেই। সুখপালের স্ত্রী রাজাইয়ের জাতীয় উদ্যানেই নার্সারিতে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।
তাই খুব সহজেই সুখপাল সেখানে যাতায়াত করতেও পারেন। ৫ই আগস্ট তিনটি চিতাবাঘের দেহ পাওয়া যায় ওই এলাকায়। ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, তাঁদের সকলের শরীরেই একই ধরনের কীটনাশক রয়েছে। তারপরই জানা যায় সুখপালের কীর্তির কথা। তাঁর দুটি পোষা কুকুর ছিল। যাদের একটিকে চিতাবাঘ টেনে নিয়ে চলে গেছিল।
আরেকটিকে আঁচড়ে কামড়ে বেশ খানিকটা আহত করে রেখে গেছিল। পরে সেটিও মারা যায়। রাগে অন্ধ হয়ে কী করবেন, কী করবেন না, বুঝতে পারেননি সুখপাল। তাই পোষ্যর দেহটিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ছড়িয়ে দেন তিনি। সেই দেহ নিয়ে উদ্যানের ভিতরে ফেলে দিয়ে আসেন তিনি। একটাই কুকুরের দেহে এক বোতল কীটনাশক দিয়েছিলেন তিনি, ফলে চিতাবাঘগুলো আর বাঁচতে পারলনা।
ভি-ডি-২
No comments