রাজ্যের সিপিএম ও কংগ্রেস সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর দার্জিলিং-কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গের অংশ থাকবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দু-দলের এই উদ্বেগকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা৷ তিনি বলেন, এই দুই দলই খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যে গণ্ডগোল বাঁধানোর চেষ্টা করছে৷ সোমবার সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।
সেদিন রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির দেওয়া বিজ্ঞপ্তি পড়ে শোনান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপরই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সবর হন বঙ্গ কংগ্রেস ও সিপিএম৷প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ধ্বংস করে মোদি সরকার নির্বাচিত রাজ্য সরকারগুলির ক্ষমতা দখল করতে চাইছে। আমাদের আশঙ্কা, সাংবিধানিক ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গের অখণ্ডতার উপর মোদী সরকার কি আঘাত হানতে চলেছে? অমিত শাহরা কি এই রাজ্য ও দেশকে টুকরো টুকরো করবেন?” একই মত সূর্যকান্ত মিশ্র, বিমান বসুদের৷ জহরলাল নেহেরুর পাপে দেশকে এতদিন ভুগতে হয়েছে৷
হাজার হাজার কাশ্মীরি পন্ডিত নিজের দেশেই উৎখাত হয়ে, উদ্বাত্ত হয়ে পথে পথে ঘুরে বেরাতে হয়েছিল৷ এই যে পাপ জহরলাল নেহেরু করেছিলেন তার পুণ্য কাজ মোদীজি করলেন৷ কংগ্রেস তো এর বিরোধীতা করবেই৷ এরা রাষ্ট্রের হিতকারি নয়৷ কারণ রাহুল সিনহার বক্তব্য, ” দার্জিলিং-কোচবিহারে এখন কোনও সমস্যা হয়নি৷ এই দুই দল খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যে গণ্ডগোল বাঁধানোর চেষ্টা করছে৷ এটা একটা জনগোষ্ঠীকে উস্কানো ছাড়া আর কিছুই নয়৷ তিনি বলেন, এদের অকারণে ঘেউ ঘেউ করা স্বভাব৷” যখন কোনও জায়গায় কিছু হবে তখন সেই জায়গা নিয়ে মন্তব্য মানায়৷ দার্জিলিং-এ না ৩৭০ ধারা আছে, না ৩৫এ আছে! যে ওনারা বলছেন।
ভি/ডি
No comments