বিশ্রাম দিন হাঁপিয়ে ওঠা মনকে - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

বিশ্রাম দিন হাঁপিয়ে ওঠা মনকে

গুরুত্বপূর্ণ কাজে মন দিন

বিষে বিষ ক্ষয় হয়। ঠিক তেমনি অত্যধিক কাজের চাপে ক্লান্তিতে যখন মন হাঁপ ছেড়ে বাঁচতে চাইবে, একটি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিজেকে সঁপে দিন। এমন একটা কাজ, যেটা করতে গেলে অধিক মনোযোগের দরকার হবে। একটি গবেষণায় …




গুরুত্বপূর্ণ কাজে মন দিন

বিষে বিষ ক্ষয় হয়। ঠিক তেমনি অত্যধিক কাজের চাপে ক্লান্তিতে যখন মন হাঁপ ছেড়ে বাঁচতে চাইবে, একটি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিজেকে সঁপে দিন। এমন একটা কাজ, যেটা করতে গেলে অধিক মনোযোগের দরকার হবে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের কাজ যত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়, সেটি থেকে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনাও তত কম।

যখন মনে হবে যে, আপনার মাথায় একই সঙ্গে হাজারটা কাজের চিন্তা কিলবিল করছে, তখন বেছে বেছে ই-মেইলের উত্তর দেয়ার বদলে নিজের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্টটায় হাত দিন, যে কাজটি করতে গেলে আপনার সব মনোযোগ কাজের মধ্যেই ঢেলে দিতে হবে।

যখন আপনি শারীরিকভাবে সতেজ থাকলেও মানসিকভাবে প্রচণ্ড কাজের চাপ অনুভব করবেন, তখনই এটা করতে পারেন। তবে কখনই ঘুমকে ফাঁকি দেবেন না।

৬ ঘণ্টার বেশি একা থাকবেন না

এটা প্রমাণ হয়েছে যে, ঘরের মধ্যে কাজ করলে চাপ কমে এবং কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। তবে এটাও বলা যায় যে, একাকী থাকাটা মানসিক চাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিয়ামক হতে পারে। মানুষের সঙ্গে মুখোমুখি বসার চমত্কার এক প্রশান্তিকর প্রভাব আছে এবং প্রতিটি মানুষরই প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় কারো সামনে বসা উচিত। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কে একাকিত্বের কারণে সৃষ্ট হরমোনের ফলে উদ্বেগ ও অসহনশীলতা দেখা দেয়। এ কারণে মানুষের সুস্থ জীবনযাপনে মানব যোগাযোগের প্রভাব প্রমাণিত হতে চলেছে।

মানুষের সঙ্গে নিয়মিত সশরীরে দেখা করুন। হতে পারে বন্ধুর সঙ্গে এক কাপ কফি খেতে খেতে পার্কের রাস্তা ধরে একটু হেঁটে যাওয়া। ফোনে কথা বলে যোগাযোগ রক্ষার ফলে আপনার কোনো উপকার হবে না।

যখন মনে হবে যে, আপনি শেষ কবে প্রাণ খুলে একজন মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, সেটা ভুলেই গেছেন।

যোগব্যায়াম করুন

মনকে শান্ত করার ফলপ্রসূ একটা উপায় হলো, শরীরের প্রতি মনোযোগ দেয়া। বিশেষ করে যোগব্যায়াম করলে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যোগব্যায়াম মনের অস্থিরতা দূর করে প্রশান্তি এনে দেয়। আপনি মনের অস্থিরতা দূর করতে যোগব্যায়ামের আশ্রয় নিতে পারেন।

চোখ বন্ধ করে এক পায়ের ওপর দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। না বসে কিংবা কোনো কিছুতে ঠেস না দিয়ে আপনার পোশাক বদলানোর কিংবা জুতা পরার চেষ্টা করুন।

যখন মনে হবে কাজের চাপে আপনার মাথা ফেটে যাচ্ছে, তখন এটা চেষ্টা করতে পারেন।

থেমে যাওয়ার প্রবণতাকে ফাঁকি দিন

জন্ম থেকেই কেউ সবকিছু শিখে আসে না। মানুষ ধীরে ধীরে তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে প্রকৃতির নিয়মগুলো শিখে নেয়। একটা কাজ বারবার করার মাধ্যমে সেই কাজে দক্ষতা অর্জিত হয়। কাজের পুনরাবৃত্তির ফলে মস্তিষ্কে নতুন সংযোগপথ তৈরি হয়। তাই প্রচণ্ড চাপের সময়ে একটা বিরতি দিয়ে আবার কাজ শুরুর মাধ্যমে মস্তিষ্কের এসব সংযোগ যেমন দৃঢ় হয়, মানসিক চাপও কমে আসে।

এক প্যাকেট ডট আকৃতির স্টিকার নিন। এবার নিয়মিত যেসব জায়গায় আপনার চোখ পড়ে যেমন— ফোনের পেছনের দিক, ফ্রিজের ওপর, বাথরুমের আয়নায়, গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলে এসব লাগিয়ে রাখুন। যখনই এগুলোয় চোখ পড়বে, তিনবার গভীর শ্বাস নিন। স্টিকার না থাকলেও নিজের পছন্দমতো সময়ে নিয়ম করে এটা চর্চা করতে পারেন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, গভীর শ্বাস নেয়ার ফলে মানসিক চাপ কমে যায় অনেকখানি।

যখন আপনার মনে হবে অস্থিরতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, তখন এটা চেষ্টা করতে পারেন।

জিরিয়ে নিন

যখন আপনার মন বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকবে, আপনি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই নিজের মনকে শান্ত করতে পারবেন, যদি সেকেন্ড গুনতে শুরু করেন। অ্যাথলিটদের ক্ষমতার সর্বোচ্চ মাত্রা যাচাই করতে গিয়ে একটা গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১৬ সেকেন্ডের একটা ছোট্ট বিশ্রাম তাদের অবিশ্বাস্যভাবে প্রাণবন্ত করে তোলে।

১ মিনিটের টাইমার সেট করে তারপর পেটের গভীর থেকে শ্বাস নিন। শ্বাস নেয়ার চেয়ে ছাড়তে দ্বিগুণ সময় ব্যয় করুন। এটা আপনার মনকে প্রশান্ত করবে।

হয়তো একটা মিটিং কিংবা প্রেজেন্টেশন আছে, যেখানে আপনার ক্ষমতার সর্বোচ্চটা দেখাতে হবে, তখন মনের চাপ কমাতে এ কৌশল কাজে লাগাতে পারেন।


from Daily Bangla http://bit.ly/2HK5s5R

No comments