প্যারালাইসিস রোধে চকোলেট - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

প্যারালাইসিস রোধে চকোলেট

!



প্যারালাইসিস রোধে চকোলেট!

খাদ্য হিসেবে সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি চকোলেট পক্ষাঘাতগ্রস্ততা থেকে মানুষকে রক্ষা করে। সুইডেনের একদল গবেষক দেখিয়েছেন মাত্র ৪৫ গ্রাম অর্থাত্ দুটির মতো চকোলেট বার খাবার হিসেবে প্রতি সপ্তাহে গ্রহণ করলে নারী…

!



প্যারালাইসিস রোধে চকোলেট!

খাদ্য হিসেবে সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি চকোলেট পক্ষাঘাতগ্রস্ততা থেকে মানুষকে রক্ষা করে। সুইডেনের একদল গবেষক দেখিয়েছেন মাত্র ৪৫ গ্রাম অর্থাত্ দুটির মতো চকোলেট বার খাবার হিসেবে প্রতি সপ্তাহে গ্রহণ করলে নারীর স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতগ্রস্ততার ঝুঁকি প্রায় ২০ শতাংশ কমে যায়।

এই চকোলেট শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় চিনির চাহিদা পূরণই কেবল নয়, এতে বিদ্যমান খাদ্য উপাদান পুষ্টিমানের দিক থেকেও সমৃদ্ধ। বিশেষ করে কালো বর্ণের চকোলেটের খাদ্যমান অনেক উন্নত, যা শরীরকে সুস্থ রাখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

চকোলেটের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যেগুলো স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চকোলেট গ্রহণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রেও উন্নয়ন ঘটাতে পারে। ডার্ক চকোলেট সেবনের আনুমানিক ৯০ মিনিট পর দেখা গেছে, গ্রহীতার মস্তিষ্কের কার্যক্রম আগের চেয়ে অনেক বেশি সচল হয়েছে। বিশেষ করে মানুষের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও চকোলেটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা জানা গেছে। অনেক স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাওয়া রোগীর চিকিত্সার্থেও দীর্ঘদিন পরিমিত চকোলেট গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। মাংসপেশি ও শারীরবৃত্তীয় নানা ক্ষেত্রের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে চকোলেট।

চকোলেট রক্তনালির গঠন সুদৃঢ় করে এর ভেতরের গাত্র থেকে চর্বি অপসারণ করে উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। চকোলেটের মধ্যে এমন কিছু উত্তেজক রাসায়নিক থাকে, যার ক্রিয়ায় শরীরে অপ্রয়োজনীয় চর্বি, ঘাম, মূত্র ও মেটাবোলিক শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ফলে একজন ব্যক্তি সহজেই কাঙ্ক্ষিত স্লিম ফিগার লাভ করতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে কলাম্বিয়ান পপতারকা শাকিরার প্রিয় খাদ্যতালিকায় সবার আগে রয়েছে এ চকোলেট।

বিশেষত ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চকোলেট মানুষের ক্ষুধা তৈরি করে। ফলে মানুষ উপযুক্ত ও প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহণ করে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল সাইক্লিস্টদের ওপর জরিপ চালিয়ে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন। এক্ষেত্রে সাইক্লিস্টরা তাদের দৈনন্দিন খাদ্যের তালিকায় দুধ ও চকোলেট রেখেছিলেন। মানুষের মন থেকে বিভ্রান্তিকর ও বিরক্তিকর ধারণাগুলো মুছে ফেলে মনকে চাঙ্গা রাখার ক্ষেত্রেও চকোলেটের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

চকোলেট সেবনের ফলে শরীর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়, যেগুলো মন থেকে দুর্ভাবনা তাড়িয়ে দিয়ে মনস্তাত্ত্বিকভাবে সুন্দর ও সাবলীল করে তুলতে সাহায্য করে। মানুষের শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য অন্যতম দুর্ভাবনার নাম কোলেস্টেরল। চকোলেট সেবনের ফলে অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল শরীর থেকে দূরীভূত হয়। ফলে খুব সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক রোগের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়।


from Daily Bangla http://bit.ly/2M1pMFq

No comments