একই শ্রেনীর বা অন্য শ্রেনীর শক্তিশালী মানুষেরা যদি দলবদ্ধভাবে অন্য কাউকে বা দুর্বলকে উত্যক্ত করে, ভয় দেখায়, তবে তাকে বলা হয় বুলিং। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বুলিং সবসময় শৈশবেই থেমে থাকে না। এখন এর গন্ডি অফিসের চৌহদ্দিতেও এসে পড়েছে। কর্মস্থলে নিয়মিত অপদস্থ হয়ে থাকলে লাইভ সায়েন্সের মাত্র ৫টি পরামর্শ মেনে চলতে পারেন—
১. সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলুন
অফিসিয়াল পদক্ষেপ নেয়ার আগে সহকর্মীর সঙ্গে আলাপ করুন। তার আচরণ আপনাকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তাকে তা জানান এবং বিনয়ের সঙ্গে তাকে এ অভ্যাস বাদ দিতে বলুন। হতে পারে, বিষয়টি তার কাছে নিতান্তই মজার কিংবা এটা যে অপেশাদারিত্ব তা হয়ত বুঝে উঠতে পারেননি। তবে অনুরোধের পরেও যদি তিনি না বুঝে থাকেন, তবে সুপারভাইজারকে জানান।
২. রেকর্ড রাখুন
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর আগে তার আচরণের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ মুখস্থ রাখতে পারেন। দিন, ক্ষণ এবং স্বাক্ষীর হিসাব রাখুন। লিখিত বা ডিজিটাল যে কোনো দলিল প্রমান হিসেবে নিজের কাছে রেখে দিন।
৩. দয়া করুন
যারা বুলিং করে তারা মানসিকভাবে অসুস্থ। তারা সবসময়েই হীনমন্ম্যতায় ভোগে। চাকরি হারানোর ভয়, ঈর্ষা, মানুষের পিছে লেগে থাকা প্রভৃতি তাদের স্বভাবে পরিণত হয়। তাই তার বা তাদের অপমানসুলভ স্বভাবের বিপরীতে মৃদুভাবে কথা বলুন। আর সংযত থেকে তাদের সীমা বুঝিয়ে দিন।
৪. নিজের সামর্থ্যে আস্থা রাখুন
প্রত্যেক কর্মীরই ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে। তবে যথেচ্ছাচার সুখকর নয়। সুতরাং মনে রাখবেন, যিনি বুলিং করছেন, এটা তার সমস্যা, আপনার নয়। তারা আপনাকে নিয়ে কি ভাবছে, সেটাও আপনার বিজনেস নয়। ক্যারিয়ারে মনযোগ দিন। সফলতার দিকগুলো নিয়ে পড়ে থাকুন। বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে এগুলো নিয়েই গল্প করুন।
৫. অভিযোগ জানাতে পারেন
মানবসম্পদ বিভাগকে জানানোর আগে সুপারভাইজারের সঙ্গে কথাবার্তা সেরে নিলে ভাল হয়। কিন্তু সুপারভাইজার অথবা প্রশাসনের কেউ যতি বুলিং করে থাকেন? এমনতর পরিস্থতিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন। তাদেরকে এটাও বোঝাবেন যে, আপনি চাকরিটি ছাড়ছেন না।
from Daily Bangla http://bit.ly/2JvOuMd

No comments