নিজস্ব প্রতিনিধি,১৩মেঃ- শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে অসুস্থ গৃহবধূ। ওই মহিলা এখন বাপের বাড়িতে শয্যাশায়ী। স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে নিউ জলপাইগুড়ি থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন নির্যাতিত মহিলা। মহিলার নাম কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বাপের বাড়ি রাজগঞ্জের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুরগিভিটায়। শশুর বাড়ি ফুলবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অম্বিকানগর এলাকায়।জানা গিয়েছে, প্রায় ছয় বছর আগে মুরগিভিটার কাঞ্চন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ে কনিকার সাথে অম্বিকানগর এলাকার স্বপন চক্রবর্তীর ছেলে বিদ্যুতের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নগদ ৫০ হাজার টাকা ও সোনার অলংকারসহ আনুষঙ্গিক জিনিস দেওয়া হয়েছে বলে কনিকার বাবা কাঞ্চনবাবু জানিয়েছেন। কনিকা বলেন, আরও পণের দাবিতে তার স্বামী লাগাতার চাপ দিতে থাকেন। স্বামীর কথা মত পণ না দিতে পারায় নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়। এমন কি ঠিকমতো খেতেও দিত না। এই ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাও মদদ দিতেন বলে তার অভিযোগ। শুক্রবার অত্যাচার চরমে পৌঁছালে কনিকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে বাপের বাড়ির সদস্যরা এসে কনিকাকে নিয়ে যান। নির্যাতিতার বাবা কাঞ্চন বাবু বলেন, ওই দিন রাতে জামাই বাড়ি থেকে খবর দেওয়া হয় আপনার মেয়ে মারা গিয়েছে। সেই কথা শুনে উন্মাদের মতো জামাই বাড়ি ছুটে যাই। গিয়ে দেখি মেয়ে বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে। মেয়েকে নিয়ে এসে প্রথমে বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেখান থেকে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে এলেও মেয়ে এখন শয্যাশায়ী। শনিবার ক্ষণিকা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে নিউ জলপাইগুড়ি থানায় নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছেন। কনিকা বলেন, আমি আর শ্বশুর বাড়িতে ফিরে যেতে চাই না। স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের আইনানুগ শাস্তি দেওয়া হোক।
from বাংলা খবর http://bit.ly/2LEVOXI

No comments