পাঁচ বছর পর মামার বাড়ি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তাঁর বাড়ির রাঁধুনি মন্টু দাসের ছেলে কৃষাণুর বৌ ভাতে অংশগ্রহণ করেন।
২০১৫ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মামার বাড়ি রামপুরহাট থানার কুসুম্বা গ্রামে গিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পর ফের বুধবার গেলেন মামার বাড়ি। কথা বললেন মামা অনিল মুখোপাধ্যায়। মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী পম্পার সঙ্গে। মামার বাড়িতে মিনিট ২০ ছিলেন। দুধের চা ও বিস্কুট খেয়েছে। এরপর মন্টু দাসের বাড়িতে গিয়ে নব দম্পত্তিকে আশীর্বাদ করেন। তাদের হাতে একটা উপহার তুলে দেন। এরপরে ফিরে যান রামপুরহাট সেচপল্লীর অতিথিশালায়। পম্পা মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা দিদির সঙ্গে মুরি আর ছোলা ভাজা পাঠিয়ে দিয়েছি। পাঁচ বহর পর এলেন খুব ভালো লাগছে”। মন্টু দাসের ছেলে কৃষাণু বলেন, “এখানে কিছু খায়নি। শুধু আশীর্বাদ করে গিয়েছে। একটা উপহার দিয়ে গিয়েছে। রাত্রে বাবা গেস্ট হাউসে খাবার পৌঁছে দেবে”। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কুসুম্বা আমার মামার বাড়ি। ক্লাস পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার পর একমাস মামার বাড়িতে কাটিয়ে জেতাম। এখানকার রাস্তাঘাট, পুকুর সব আমার পরিচিত। আগে রামপুরহাট থেকে কুসুম্বা গ্রামে পৌঁছতে এক ঘণ্টা লাগত। এখন দশ মিনিটে পৌঁছন যাচ্ছে। তবে আমার পিতৃভূমি পাশেই চাকাইপুর গ্রামে। সেখানে আমি কোনদিন যায়নি। তবে আমাদের যা জমি জায়গা ছিল বাবা সব জ্যাঠাদের দিয়ে চলে গিয়েছেন। পরের বার রামপুরহাটে এলে চাকাইপুর গ্রামে যাব”।
২০১৫ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মামার বাড়ি রামপুরহাট থানার কুসুম্বা গ্রামে গিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পর ফের বুধবার গেলেন মামার বাড়ি। কথা বললেন মামা অনিল মুখোপাধ্যায়। মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী পম্পার সঙ্গে। মামার বাড়িতে মিনিট ২০ ছিলেন। দুধের চা ও বিস্কুট খেয়েছে। এরপর মন্টু দাসের বাড়িতে গিয়ে নব দম্পত্তিকে আশীর্বাদ করেন। তাদের হাতে একটা উপহার তুলে দেন। এরপরে ফিরে যান রামপুরহাট সেচপল্লীর অতিথিশালায়। পম্পা মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা দিদির সঙ্গে মুরি আর ছোলা ভাজা পাঠিয়ে দিয়েছি। পাঁচ বহর পর এলেন খুব ভালো লাগছে”। মন্টু দাসের ছেলে কৃষাণু বলেন, “এখানে কিছু খায়নি। শুধু আশীর্বাদ করে গিয়েছে। একটা উপহার দিয়ে গিয়েছে। রাত্রে বাবা গেস্ট হাউসে খাবার পৌঁছে দেবে”। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কুসুম্বা আমার মামার বাড়ি। ক্লাস পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার পর একমাস মামার বাড়িতে কাটিয়ে জেতাম। এখানকার রাস্তাঘাট, পুকুর সব আমার পরিচিত। আগে রামপুরহাট থেকে কুসুম্বা গ্রামে পৌঁছতে এক ঘণ্টা লাগত। এখন দশ মিনিটে পৌঁছন যাচ্ছে। তবে আমার পিতৃভূমি পাশেই চাকাইপুর গ্রামে। সেখানে আমি কোনদিন যায়নি। তবে আমাদের যা জমি জায়গা ছিল বাবা সব জ্যাঠাদের দিয়ে চলে গিয়েছেন। পরের বার রামপুরহাটে এলে চাকাইপুর গ্রামে যাব”।

No comments