গাজরের রসের সাথে কখনো তার সাথে মেশাবেন মধু, অ্যালোভেরা আবার কখনও বা লেবুর রস। গাজরে থাকা পটাশিয়াম আপনার স্কিনের লেয়ারে যখন মিশতে থাকে, স্কিন ন্যাচারালি ময়শ্চারাইজ়ড হয়। স্কিনের ঔজ্জ্বল্য বাড়তে থাকে। হাফ গাজর গ্রেট করে নিয়ে তার রসের সঙ্গে এক চা চামচ করে মধু, দুধ মিশিয়ে নিন।
সেই মিক্সচারটা মুখে লাগিয়ে মিনিট ১৫ রেখে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন ঠাণ্ডা জলে। দেখবেন আপনার আর আলাদা কোনও বিউটি টিপস্ লাগবে না। স্কিন যদি হয় তেলতেলে, তাহলে এক কাপ গাজরের রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এক টেবিল চামচ করে দই, ময়দা এবং লেবুর রস।
এই মিশ্রণ মুখ, ঘাড়, গলায় মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন ঈষদুষ্ণ জলে। আবার একই পরিমাণ গাজরের রসে দই এবং একটা ডিম মিশিয়ে নিতে পারেন, সেটা মুখে মেখে ১৫ মিনিট পরে হাল্কা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। দেখুন এই দুই ক্ষেত্রেই আপনার ডেড সেলগুলো সহজেই আপনাকে ছেড়ে পালাবে, তাতে আপনার স্কিন অনেক ফ্রেশ এবং সতেজ দেখাবে। কারণ এই পদ্ধতি গুলোতে আপনার স্কিনের ডিটক্সিফিকেশন হয়।
গাজরে থাকে ভিটামিন এ। আপনার স্কিন কি খুব জলদি বুড়িয়ে যাচ্ছে মনে করছেন? তাহলে গাজর অবশ্যই আপনার বেস্টফ্রেণ্ড। গাজরে থাকা বেটা কেরোটিন এবং কেরোটিনয়েড এক্ষেত্রে ঢাল হিসেবে কাজ করে। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি যখন আপনার বয়স বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ তিনগুণ, তখন এই গাজরের রসই আপনাকে বাঁচায়। গোলাপজলের সঙ্গে আপনি গাজরের রস মিশিয়ে নিন সমপরিমাণে।
সেটা কোনও স্প্রে বটলে রেখে দিন। আর এই তীব্র গরমে মাঝেমাঝে নিজের গা হাত পা এবং মুখে স্প্রে করে নিন এই মিশ্রণ। স্কিন হাইড্রেটেড থাকবে এতে। তাছাড়াও আপনি গাজরের রসের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিতে পারেন, যা আপনার বুড়িয়ে যাওয়া আটকাতে নিরন্তর আপনাকে সাহায্য করবে।
ভি-ডি-২
No comments