ডেঙ্গুতে উপকারী এই জুস - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

ডেঙ্গুতে উপকারী এই জুস

১। আনারের জুস আনার বা ডালিমের রস ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফলিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এই ফলকে দারুণ এক স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। আনারের জুস তৈর…




১। আনারের জুস আনার বা ডালিমের রস ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফলিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এই ফলকে দারুণ এক স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। আনারের জুস তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে একটি বড় আকৃতির আনার, একটি কমলালেবু, ১০-১২টি পুদিনা পাতা, মধু ও জল। আনার ছিলে ব্লেন্ডারে শুধু আনার ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এই আনার ছেঁকে আনার রস বের করে এতে কমলালেবুর রস ও পুদিনা পাতা দিতে পুনরায় ব্লেন্ড করতে হবে। এতে মধু ও জল যোগ করে শেষবারের মতো ব্লেন্ড করে পরিবেশন করতে হবে।





২। আঙ্গুরের জুস বিভিন্ন ধরনের ফলের মাঝে মিষ্টি স্বাদের জন্য আঙ্গুর ফলটি অনেকেই তুলনামূলকভাবে বেশি পছন্দ করেন। সহজেই রেসিপি বিধায় যখন তখন আঙ্গুরের জুস তৈরি করা যাবে। এই জুস তৈরি জন্য ১৫-২০টি আঙ্গুর, এক কাপ জল, বড় এক টুকরো লেবুর রস, দুই চা চামচ মধু ও এক চিমটি লবণ প্রয়োজন হবে। জুস তৈরির জন্য প্রথমে শুধু আঙ্গুরগুলো ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এতে পানি, লেবুর রস, মধু ও লবণ দিয়ে পুনরায় ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করতে হবে।




৩। আপেল-কমলালেবুর জুস রোগীদের জন্য এই জুসটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী পানীয় হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া কমলালেবুর প্রশান্তিদায়ক সুবাস ও স্বাদ রোগীর মুখে স্বাদ বাড়াতেও কাজ করবে। জুসটি তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে দুইটি কমলালেবুর রস, এক-চতুর্থাংশ লেবুর রস, একটি মাঝারি আকৃতির আপেলের টুকরা, আধা ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি, এক চা চামচ মধু ও আধা চা চামচ বিট লবণ। প্রথমে আপেলের টুকরাগুলো ব্লেন্ড করে এতে কমলালেবুর রস, লেবুর রস, আদা কুঁচি, মধু ও বিট লবণ দিয়ে পুনরায় ব্লেন্ড করতে হবে। যদি খুব বেশি ঘন জুস পছন্দ না হয়, তবে আধা কাপ জল যোগ করা যাবে।




৪। শসা-বিটের জুস বিটের ফলেট, ম্যাংগানিজ, আয়রন, বেটাইন, পটাশিয়াম এবং শসার ভিটামিন-এ, বি, সি, ফলিক অ্যাসিড ও পর্যাপ্ত পরিমাণ জলের অংশ সুস্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ জরুরী। লেবু ও আদার উপকারিতার কথা বলাই বাহুল্য। এই জুসটি তৈরির জন্য খোসাবিহীন দুইটি বিটের টুকরা, খোসাসহ দুইটি শসার টুকরা, দুই ইঞ্চি পরিমাণ আদার টুকরা একসাথে ব্লেন্ড করতে হবে। এতে লেবুর রস যোগ করে পুনরায় ব্লেন্ড করে ছেঁকে স্বাদমতো মধু যোগ করে পান করতে হবে।





৫। টমেটোর জুস মিষ্টি জুস পান করতে যদি রোগী পছন্দ না করেন, তবে সেক্ষেত্রে টক ও হালকা ঝালের ফ্লেভারে তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার টমেটোর জ্যুস। এই জুস তৈরিতে প্রয়োজন হবে চারটি টমেটো, এক মুঠো ধনিয়া পাতা, অর্ধেক কাঁচালংকা, আধা ইঞ্চি আদা, একটি অর্ধেক কোয়া রসুন, আধা চা চামচ বিট লবণ ও এক চিমটি লবণ। জুস তৈরির জন্য চুলার আগুনে টমেটো পুড়িয়ে নিতে হবে। এর জন্য বড় কাঁটাচামচে টমেটো গেঁথে আগুনের উপর ধরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পোড়াতে হবে। টমেটোর চামড়া কুঁচকে কালো হয়ে আসলে আগুনের উপর থেকে সরিয়ে নিতে হবে। সবগুলো টমেটো পোড়ানো হয়ে ঠাণ্ডা করে গেলে টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এবারে ব্লেন্ডারে টমেটো, ধনিয়া পাতা, আদা, রসুন কাঁচামরিচ, লবণ ও বিটলবণ একসাথে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। 





ভি-ডি-২

No comments