এই গ্রামটিতে একটিও দরজা-জানলা নেই - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

এই গ্রামটিতে একটিও দরজা-জানলা নেই

শুনে অবাক হলেন তো? কিন্তু এরকুমটা আছে মহারাষ্ট্রের একটি  গ্রাম আছে আহমেদনগর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেই গ্রামটির নাম শনি শিংনাপুর। গ্রামটিতে প্রায় ৫০০০ মানুষের বসবাস। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই কৃষিজীবী। দীর্ঘদিন ধরে এই …




শুনে অবাক হলেন তো? কিন্তু এরকুমটা আছে মহারাষ্ট্রের একটি  গ্রাম আছে আহমেদনগর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেই গ্রামটির নাম শনি শিংনাপুর। গ্রামটিতে প্রায় ৫০০০ মানুষের বসবাস। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই কৃষিজীবী। দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রাম এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য আছে যা খবরের শিরোনামে রয়েছে। এখন আপনি টিভি পত্রিকা কিংবা অন্য কারো মুখ থেকে চুরি ডাকাতির কথা নিয়মিত শুনে থাকবেন। কিন্তু এই গ্রামটিতে চুরি-ডাকাতি শব্দটির কোন অস্তিত্ব নেই। শুনে অবাক হলে তাই তো এটাই সত্যি। অবিশ্বাস হলেও সত্যি এই গ্রামে বাড়ি গুলোতে কোন দরজা নেই এমনকি জানালার কপাট পর্যন্ত নেই।




সব সময় বাড়ি ঘর খোলা থাকে। খোলা খালি পড়ে থাকে মূল্যবান জিনিসপত্র এমনকি টাকা পয়সা ও গয়না গাটি। শুধু বাড়ি ঘর নয়!! দোকানপাট বাজার এমনকি ব্যাংকের দরজায় তালা পড়ে না। কেন জানেন এই গ্রামে এক অদ্ভুত কারণে বিখ্যাত। গ্রামবাসীরা মনে করেন তাদের গ্রামে রক্ষাকর্তা শনি দেবতা বাস করছেন। তিনি সবার অলক্ষ্যে বাড়িঘর সম্পদ রক্ষা করেন। সকলেরই অগাধ বিশ্বাস এর উপরে। আর সেই বিশেষ এর জন্যই এই গ্রামের রয়েছে একটি ব্যাংক যার দরজায় কোন তালা চাবি লাগানোর ব্যবস্থা নেই। এই গ্রামের মানুষেরা বলে থাকেন তাদের পূর্বপুরুষেরা নাকি বলে গিয়েছেন তাদের দরজায় জানলায় যেন পাল্লা লাগানো না থাকে আর সেই নির্দেশ তারা মেনে চলেন তবে এটা কখনো কারো বিপদ হয়নি।




শোনা যায় প্রায় ৪০০ বছর ধরে এই রকম রীতি চলে আসছে মহারাষ্ট্রের এই প্রত্যন্ত গ্রামটিতে। এই গ্রামের কেউ একজন “শনি ঠাকুরের স্বপ্নাদেশ পেয়ে ছিলেন কোন বিপদের ভয় নেই এই গ্রামে আমি তোমাদের রক্ষা করব।” সেই বিশ্বাসের জোরে চলে আসছে দরজা-জানলা না থাকার এক অদ্ভুত রীতি। শোনা যায় বহু বছর আগে এই গ্রামে কোন সময়ে নদীর জল ঢুকে গেছিল আর ভেসে আসে শনি দেবের মূর্তি। এখনো গ্রামের মূল অরাধ্য সেই শনি দেবের মূর্তি।




ভি-ডি-২

No comments