বিষাদ’ শব্দটি ডিলিট করুন - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

বিষাদ’ শব্দটি ডিলিট করুন

ক্রান্তিকাল চলছে। হাবুডুবু খেয়ে যাচ্ছেন। কোনো কূলকিনারা হাতড়ে পাচ্ছেন না। তবে জানেন কী, চাইলেই আগের মতো এবারও ফিরে আসতে পারেন স্বস্তির দ্বীপে। বিলুপ্ত করে দিতে পারেন ‘বিষাদ’ শব্দটি। বিষাদ তাড়াতে দশটি টিপস মেনে চলা যেতে পারে।



১০.…




ক্রান্তিকাল চলছে। হাবুডুবু খেয়ে যাচ্ছেন। কোনো কূলকিনারা হাতড়ে পাচ্ছেন না। তবে জানেন কী, চাইলেই আগের মতো এবারও ফিরে আসতে পারেন স্বস্তির দ্বীপে। বিলুপ্ত করে দিতে পারেন ‘বিষাদ’ শব্দটি। বিষাদ তাড়াতে দশটি টিপস মেনে চলা যেতে পারে।



১০. বিষয়ের বৈচিত্র

কোনো কাজ বা বিষয়ের প্রতি অনাগ্রহই বিষাদগ্রস্ততার অন্যতম কারণ। অথচ মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্য আগ্রহ ও কর্মপরায়ণতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলুন। গৃহস্থালির কাজ, অসুস্থ বা বয়স্ক ব্যক্তিকে সময় দেয়া, বিভিন্ন শখে ডুব দেয়া কিংবা শারীরিক শ্রম আছে এ জাতীয় অসংখ্য কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন।



৯. ইতিবাচক থাকুন

নেতিবাচক চিন্তার অভ্যাস বাদ দিন। এ অভ্যাস বিষাদগ্রস্ততা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, বিষাদগ্রস্ত মানুষ তার প্রতিভা, গুণাবলি ও লক্ষ্য পূরণ— এসব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়। মনে রাখবেন, একজন সুখী মানুষও বিষাদগ্রস্ত মানুষের মতো ব্যর্থতা, হতাশা, নেতিবাচক আবেগ, দুঃখ, ব্যথা অনুভব করেন। সুখী মানুষ সবসময়ই ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, এবং দুঃখ-দুর্দশাকে জীবনের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে গ্রহণ করেন।



৮. ব্যক্তিগত সমস্যা কী, তা জানুন

ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে ভাবুন। চিন্তা করুন, কী কী নেতিবাচক ও অসহনীয় চাপ আপনার জীবনে রয়েছে? কখনো কোনো সমস্যাকে স্থায়ী হতে দেবেন না— সমস্যা সমাধানের জন্য ভুলেও নেতিবাচক অভ্যাসকে প্রশ্রয় দেবেন না। ছোট্ট একটি পদক্ষেপ আপনাকে বিহ্ববলতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। একই সময়ে দুয়েকটি কাজ বড় বা জটিল সমস্যাকে ভেঙে দিতে পারে।



৭. সামাজিক জীবনযাপন করুন

মানুষের উষ্ণ সম্পর্ক উপভোগ করুন। তাদের প্রতি আগ্রহ ফুটিয়ে তুলুন। ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মতত্পরতা মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগকে আরও ইতিবাচক করে তুলুন। যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক উপায়ে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক বজায় রাখুন। আপনি বরং বন্ধুবান্ধব ও প্রিয়জনের বিষন্নতা সারাতে সহায়তা করুন। পাশাপাশি নিজেকে যথেষ্ট সময় দিন।



৬. একটুও নয় খারাপ ব্যবহার

আন্তরিকতার সঙ্গে বন্ধুবান্ধব বা প্রিয়জনের অভিযোগ-অনুযোগ, কান্না, বিষন্ন অনুভূতি অথবা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন। সৌহার্দ্যময় এসব প্রতিক্রিয়া আপনাকে পুরস্কৃত করবে এবং সংযত হতে সাহায্য করবে। অনেক বিষন্ন মানুষ নিজেকে ভালো রাখার ব্যর্থ উপায় হিসেবে খাদ্যাভাসে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। কেউবা নিষিদ্ধ দ্রব্যের প্রতি তীব্র আসক্তি বোধ করেন। ক্ষতিকর এসব অভ্যাসের দিকে ভুলে ঝুঁকবেন না।



৫. বাস্তববাদী হয়ে উঠুন

জীবনের প্রধান চাওয়া-পাওয়া কিংবা নিজের প্রত্যাশা যাচাই করুন। যতটুকু সম্ভব এগুলোর মধ্যে সমন্বয় আনার চেষ্টা করুন। বিষাদগ্রস্ত ব্যক্তি মনে করেন, অঢেল বিত্ত-বৈভবের মালিক হলে অথবা উচ্চ বেতন বা ভালো সামাজিক মর্যাদা থাকলে সুখী হওয়া যায়। এগুলো নেতিবাচক চিন্তা। এ ধরণের চিন্তাভাবনা বাদ দিন। আপনার অবস্থানকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে শিখুন।



৪. বদলে ফেলুন

বদভ্যাস ত্যাগ করুন। নিজেকে নতুনরূপে আবিস্কার করতে পারবেন। প্রতিদিন অল্প অল্প করে নেতিবাচক চিন্তার জায়গায় ইতিবাচক চিন্তা স্থাপন করুন। দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হোন, সমস্যা সমাধানে দক্ষ হোন। একই সঙ্গে সুচিন্তা করুন— কোনো নেতিবাচক চিন্তা আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না। জীবনটাকে হালকাভাবে নিতে হবে।



৩. ব্যায়াম করুন

প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। শরীরচর্চা আর সঠিক পুষ্টি নিয়ে তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। বরং স্বাভাবিক পন্থা অবলম্বন করুন। মন ও শরীর উভয়েই গতিশীল। প্রাণের মধ্যে আনন্দ ও কর্ম একত্রে মিলিত হয়ে রয়েছে।



২. স্থায়ী খাদ্যাভাস তৈরি করুন

অতিরিক্ত খাদ্যাভাস, অনাহারে থাকা ও অতিরিক্ত পানাসক্তি আমাদের স্বাভাবিক অনুভূতি দমন করে। একেবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে কয়েকবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। ও, হ্যা, অবশ্যই সুষম খাবার বেছে নেবেন।



শিশুর মতো হেসে উঠুন

১. চিন্তাচেতনা আয়ত্বে রাখুন

আপনার শব্দভাণ্ডার থেকে ‘বিষাদ’ শব্দটি মুছে ফেলুন। মনে করুন, বিষাদের মানে ‘পাখি’। এবার তাকে হাওয়ার মিলিয়ে যেতে দিন। দেখুনতো এক ধরনের প্রশান্তি অনুভব করতে পারছেন কিনা।


from Daily Bangla http://bit.ly/2LTk7kC

No comments