আপনার বাড়িকে কি করে অফিসের কাজের উপযোগী করে তুলবেন? - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

আপনার বাড়িকে কি করে অফিসের কাজের উপযোগী করে তুলবেন?

নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন? অফিস নিতে পারেন নি? বাড়ীতেই অফিসের কাজ করতে গিয়ে ঝামেলায় পরছেন? অনেক উদ্যাক্তা আছেন যারা সম্প্রতি নতুন ব্যবসা চালু করেছেন বা যাদের ব্যবসা একটু একটু করে বড় হচ্ছে তারা অনেক সময় নতুন অফিসের পরিবর্তে বাসাতেই…



নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন? অফিস নিতে পারেন নি? বাড়ীতেই অফিসের কাজ করতে গিয়ে ঝামেলায় পরছেন? অনেক উদ্যাক্তা আছেন যারা সম্প্রতি নতুন ব্যবসা চালু করেছেন বা যাদের ব্যবসা একটু একটু করে বড় হচ্ছে তারা অনেক সময় নতুন অফিসের পরিবর্তে বাসাতেই সকল কাজ সম্পাদন করে থাকেন। এতে করে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। কারন বাসায় কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় অনেকেই নিজেকে কম জাহির করে থাকেন বা কম কাজ করে থাকেন। সঠিক কাজ না করে বাড়ির অনেক কাজের সাথে অফিসের কাজ গুলিয়ে ফেলেন। এর কারন বাসা সকলের জন্য উন্মুক্ত হলেও এখানে সবকিছু খুব কম সময়ই বিনিময় করা যায়। বিক্ষোব, সহকর্মীদের সাথে আলোচনার অভাব এবং অনির্ধারিত কাজের সময় এগুলো অনেক সময় বাসাতে আপনার কাজের উৎপাদনশীতা নষ্ট করে ফেলে। এই টিপসগুলো অনুসরন করলে আপনি সহজেই আপনার বাসাকে অফিস উপোযুগি করে গড়ে তুলে সকল সমস্যাগুলো সাফল্যের সাথে মোকাবেলা করতে পারবেন।

সীমানা নির্ধারন করা:

বাড়ীতে থাকলে আপনি অনেক সময় বাসার কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে জড়িয়ে পরতে পারেন। তা যতটা পারা যায় এসব কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যতটা সম্ভব ফোন ধরা থেকে এবং অন্যান্য কাজ যেমন লন্ড্রীতে কাপড় দেবার মত কাজ সপ্তাহের কাজের দিন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিজেকে প্রশ্ন করুন যদি আপনি অফিস চলাকালীন এসব কাজ করে থাকেন কি না? যদি ন করে থাকেন তবে এগুলো একেবারেই করবেন না। জিল সেলেস্ট একজন মার্কেটিং অফিসার যিনি তার কাজের ক্ষেত্রতে সীমানা বেঁধে দিয়েছিলেন। তিনি এটা একারনে করেছিলেন যে, কাজের দিনগুলোতে তার মা তাকে গল্প করার জন্য ডাকতেন। এখন তার মা ফোন দিলে সেটা ভয়েসমেইলে জমা থাকে এবং জিল সেটা সন্ধ্যায় তার সাথে কথা বলেন। এজন্য অফিসটা বাসায় হলেও আপনার কাজের সীমানা যদি নির্ধারিত হয়ে থাকে তবে এগুলো করা আপনার সহজ হবে।

দুপুরে খাবার বিরতী নেওয়া:

বাড়ীতে কাজ করার আরেকটি অসুবিধা হল আপনি যখন তখন কাজ বাদ দিয়ে যখন তখন একটু খেয়ে নিতে পারেন। এতে আপনার সময় অনেক নষ্ট হবে। যখন তখন কাজ খেকে বিরতি নিলে আপনি নতুন করে উদ্যোমী এবং আপনার এনার্জি লেভেল বেড়ে যাবে- এ ধারনা বাদ দিতে হবে। এমনটা না করে অল্প সময়ের জন্য দুপুরে বিরতিতে আপনার খাওয়ার খাবার সময় নির্ধারন করুন। এতে সময় বাঁচবে এবং আপনি আপনার কাজেও এনার্জি পাবেন।

আপনার চাকুরীকে সাজান:

আপনার অফিস আপনার বেড থেকে অনেক দূরে হতে পারে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আপনি যে পোশাকে আছেন সে পোশাকেই আপনার কর্মস্থলে যাবেন। “যদি আমি আমার পায়জামা কিম্বা ঘুমানোর প্যান্ট পরে কাজে যাই তবে নিজের কাছে নিজেকে কম উৎপাদনশীল মনে হয়। এবং আমি কাজে আগ্রহ পাই তখনই আমার কাজ কম হয়” বললেন অনলাইন থেরাপি স্টার্টআপ আইকোচ এর সিইও, প্রতিষ্ঠাতা ব্রেইন ডিয়ার। এমনটি করলে কোনটা কাজের জায়গা আর কোনটা বসবাসের জায়গা এর মাঝে কোন পার্থক্য থাকে না। এরফলে এটি কাজের জায়গা না বাসায় বসে রিলাক্স করার জায়গা এ নিয়ে এখানে ‍বিভ্রান্ত হবার মত অনেক কিছুই হয়ে থাকে । তাই এগুলোকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। তাই কাজের জায়গাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে।

একটা রুটিন তৈরী করুন:

অফিসে থাকার মত কাজের জন্যও একটি রুটিন তৈরী করে ফেলুন। এতে করে কখন কোন কাজ করতে হবে সে বিষয়ে আপনাকে কম ঝামেলাতে পরতে হবে। বাসায় কাজ শুরু করতে গেলে কাজের আগে আপনি এক কাপ কফি নতুবা একটু সমান্য কিছু্ এটা সেটা খেতে থাকবেন এভাবে দুপুরের খাবারের আগ পর্যন্ত এসব আপনি করতে থাকেন। এভাবে বললেন সিটি অফিসের ডিরিক্টর সিমন জি. হার্ডওয়ার। বাসায় কাজের ক্ষেত্রে তারাতারি কাজ শেষ করার প্রবনতা খুব কম থাকে এবং দীর্ঘ সময় নিয়ে দুপুরের খাবার খাওয়ার একটা লোভ মানুষের মাঝে কাজ করে। কিন্তু যদি আপনার একটা রুটিন থাকে তবে আপনার কাজের একটা লক্ষ থাকে বলে আপনি এসব সহজেই বাদ দিতে পারেন।

বাসার চিত্তবিনোদন দূর করুন:

আপনার বাড়িতে একটি সুন্দর কাজের পরিবেশের অফিস হিসেবে গড়ে তোলা খুবই জরুরী। তাই আপনার বাসাকে অফিসের রূপ দেবার চেষ্টা করুন। এর অর্থ এই যে, আপনার রুমে কোনরকম খেলনা বা টিভি রাখা যাবে না। আপনার বাসায় এমন একটি স্থান নির্বাচন করূন যেখানে পরিবারের কোন রকম ঝামেলা বা কোন চিত্তবিনোদনের জিনিস না থাকে। কাজ সংক্রান্ত কোন জিনিস যেমন, ক্ল্যালেন্ডার বা বই ইত্যাদি রাখা যাবে। এসব ছাড়া অন্য কোন কিছু রাখলে তা আপনাকে বাসাবাড়ির কাজের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। যদি সম্ভব হয় একটা ভিন্ন ঘর নির্বাচন করুন।

অফিসের বহিরে যান:

অনেক সময় বাড়ীতে একা একা কাজ করতে করতে আপনি একাকিত্বে ভুগতে পারেন। যখন আপনি একই বাড়ীতে থাকবেন এবং চার দেয়ালের একটি ঘরে কাজ করবেন, আপনি সহজেই বিরক্ত হবেন।    হোম রেমেডিস এর প্রেসিডেন্ট ডেব্রা এম. কোহেন বলেন, প্রতিদিন একঘন্টা করে তিনি বাহিরে কাটাতেন, এতে তার একঘেয়েমি কাটত। “বাহিরের দৃশ্যের পরিবর্তন এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়া আমাকে আরো বেশী কাজের প্রতি আগ্রহী এবং আরো বেশী সৃজনশীল করে তোলে। এর ফলে আমি আগের চেয়ে আরো বেশী কাজ করতে সমর্থ হই।” তিনি বলেন। তাই প্রতিদিন অল্প সময়ের জন্য হলেও বাহিরে যান।


from Daily Bangla http://bit.ly/2UU3uVe

No comments