মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্তপ্রবাহ হ্রাস পেলে মস্তিষ্কের কোষকলার মৃত্যু ঘটে।
শরীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কার্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি হয়। মূলত মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহের পরিমাণ আকস্মিকভাবে হ্রাস পাওয়াকেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা ব্রেইন স্ট্রোক বলা হয়। এ থেকে ব্রেন ড্যামেজ, প্যারালাইসিস এবং মৃত্যুও হতে পারে।
স্ট্রোক হওয়ার আগে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। সেগুলো চিনতে পারলে ও দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিতে পারলে রোগীকে মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হতেও পারে৷
স্ট্রোক চেনার সাতটি লক্ষণ-
মুখের অর্ধেক অসাড় হয়ে পড়া
হাসতে গিয়ে হঠাৎ মুখের অর্ধেক নাড়াতে না পারেন বা অসাড় হয়ে পড়ে, তাহলে তা স্ট্রোকের স্পষ্ট একটি লক্ষণ। মুখের মাংসপেশিতে রক্ত সরবরাহকারী স্নায়ুগুলো অক্সিজেন সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে এমনটা ঘটে।
একটি বাহুতে দুর্বলতা
স্ট্রোকের আরেকটি স্পষ্ট লক্ষণ হলো কোনো একটি বাহুতে এমন দুর্বলতা বা অসাড়তা যে, আপনি তা মাথার ওপর টেনে তুলতে পারছেন না।
কথা বলায় অস্পষ্টতা
আপনি যদি হঠাৎ করেই কথা বলার সময় অস্পষ্ট আওয়াজ করতে থাকেন, তাহলে তা স্ট্রোকের লক্ষণ। মস্তিষ্কের যোগাযোগের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এটি হয়।
দেহের একপাশে দুর্বলতা বা প্যারালাইসিস
দেহের কিছু অংশে দুর্বলতা বা প্যারালাইসিসের মধ্য দিয়েও স্ট্রোকের লক্ষণ ফুটে ওঠে। এমন লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই ডাক্তারে কাছে যেতে হবে।
মাংসপেশিতে খিল ধরা
মাংসপেশির স্নায়ুগুলোর রক্ত সরবরাহ যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে দেহের এক বা একাধিক জায়গায় মাংসপেশি শক্ত হয়ে আসবে। দেহের যে কোনো অর্ধেক অংশেই সাধারণত এমনটা ঘটে।
ঝাপসা দৃষ্টি
স্ট্রোকের আরেকটি লক্ষণ হলো কোনো একটি চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা। মস্তিষ্কের যে অংশ আপনার দৃষ্টি সম্বন্ধীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে সে অংশে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে এমনটা ঘটতে পারে।
তীব্র মাথাব্যথা
সাধারণের চেয়ে তীব্র মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন তাহলে বুঝতে হবে আপনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন।
from Daily Bangla http://bit.ly/2VNExvd

No comments