
লোকসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই ইসলামপুর বিধান সভা আসনে উপ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির মধ্য প্রার্থী বাছাই নিয়ে প্রস্তুতি শুরু তুঙ্গে।গত বিধানসভা আসনে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন কানাইয়ালাল আগরওয়াল। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ লোকসভা আসনে তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়ায় কানাইয়ালাল আগরওয়ালকে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়। শনিবার নির্বাচন কমিশন থেকে এক প্রেস বার্তায় জানাগিয়েছে, ২২ তারিখে গেজেট নোটিফিকেশন জারি হবে।২৯ তারিখে শেস নমিনেশন জারি করা হয়েছে।৩০ তারিখে স্কুটুনি জারি করা হয়েছে। ২ তারিখে প্রার্থী পদ থেকে প্রত্যাহারের দিন জারি করা হয়েছে।আর ভোট হবে ১৯ ই মে।ভোটের ফল বের হবে ২৩ ই মে।নির্বাচন কমিশনের এই বিঞ্জপ্তি জারি হতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। শনিবার রাতের উপনির্বাচনের দিন ঘোষনা হতেই রবিবার দুপুরে দীপা দাসমুন্সী ও জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত ইসলামপুর শহরে এসে দলীয় কর্মীদের সাথে প্রার্থী বাছাইয়ের ব্যাপারে জরুরী বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত সহ ইসলাপুরের ব্লঅন্যান্য কংগ্রেস নের্তৃত্বরা। ওই বৈঠক দীর্ঘক্ষন চলে বলে জানা গিয়েছে। হাতে সময় খুব কম থাকায় খুব তাড়াতাড়িই আমাদের প্রার্থী সিলেক্ট করতে হওয়ার জন্য ওই বৈঠক করা হয়েছে। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ইসলামপুরে দলের হয়ে যে নেতারা নির্বাচন পরিচালনা করেছেন, তাদের মধ্যে থেকেই প্রার্থী নির্বাচিত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, এই বিধানসভা নির্বাচনে ভালো প্রার্থীকেই দেওয়া হবে। এমন প্রার্থী দেওয়া হবে যাতে এখানে আমরা জয়ী হতে পারি। এই সব বিষয় নিয়েই আমাদের এই বৈঠক বলে জানান মোহিতবাবু। তৃনমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জাকির হুসেন বলেন যে,আমরা সব রকম নির্বাচন লড়তে প্রস্তুত আছি।কারন তৃনমূল কংগ্রেসের সংগঠন মজবুত আছে।এখনও কে প্রার্থী হবে ঠিক হয় নি।দল জাকে প্রার্থী করবে আমরা সবাই মেনে নেবো। ইসলামপুরের প্রাক্তন মন্ত্রী তথ বাংলা বিকাশবাদী কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন যে, উপনির্বাচনের খবর ছরাতেই বিভিন্ন গ্রাম থেকে অনেক মানুষ এসে আমার সাথে যোগাযোগ করছে।তারা চাইছে আমি যাতে ভোটে লড়ি।সোমবার দলের কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে।সেখানেই ঠিক হবে নির্বাচনের রণকৌশল।
No comments