গ্রুপ ডি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যে ৬৬জনকে পুরুলিয়ায় নিয়োগ করা হচ্ছে তার সকলেই বাইরের জেলার।যাদের পুরুলিয়া জেলায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নিযোগ করা হবে।এই তালিকায় একজনও নেই পুরুলিয়া জেলায়। যার প্রতিবাদে আজ আদিবাসী কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়।উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের নেতা অজিত প্রসাদ মাহাতো,সংগঠনের যুব সভাপতি নৃপেন মাহাতো সহ আরো অনেকে। অজিত প্রসাদ মাহাতো বলেন।যে ৬৬জনকে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ করা হচ্ছে তারা সকলেই বাইরের জেলার।প্রশাসন বলছে বাইরের জেলা থেকে এই জেলায় এবং এই জেলার পরীক্ষার্থীদের অন্য জেলায় নিয়োগ করা হচ্ছে। সেই মতো এই জেলার ৩৬জন কে নাকি অন্য জেলায় পাঠানো হয়েছে।এটা কিভাবে হচ্ছে তা আমরা নজর রাখছি।বিগত বাম আমলেও পুরুলিয়ার চাকরি প্রাপকদের বঞ্চিত করা হয়েছে।তৃনমুল আমলেও প্রাথমিক শিক্ষক পদে ১৬০০জনের মধ্যে ১০০০জন বাইরের জেলা থেকে এই জেলায় চাকরি পেয়েছে।এটা মেনে নেওয়া যাবেনা। আগামী দিনের মতোই বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে আদিবাসী কুড়মি সমাজ। সংঘঠনের জেলা যুব সভাপতি নৃপেন মাহাতো বলেন।২০১৭সালের ৬ই এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী যখন পুরুলিয়া সফরে এসেছিলেন।তখন পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে আমাদের সাথে বৈঠক হয়।পরে সেদিনই বেলকুড়ির প্রশাসনিক সভামঞ্চে মমতা ব্যানার্জী ঘোষণা করেছিলেন।গ্রুপ ডি পদে নিজের নিজের জেলাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।তারপরেও এখন একই অবস্থা। আমাদের দাবি পি এস সি, এস এস সি,টেট যে পরিক্ষায় হউক তা জেলা ভিত্তিক করতে হবে।তা না হলে যান্ত্রিক ভাবে আমরা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হচ্ছি।তার কারণ যা মেসিনারি সব কোলকাতায়।তার ফলে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছে পুরুলিয়া।নিজের জেলার অধিকার আদায়ে তাই বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments