কাজ এবং আশ্রয় না পেয়ে এক প্রতিবন্ধী দম্পতি কোচবিহার জেলা শাসকের অফিসের সামনে স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদনের জন্য ধর্নায়।
কাজ এবং আশ্রয় না পেয়ে বুধবার এক প্রতিবন্ধী দম্পতি কোচবিহার জেলা শাসকের অফিসের সামনে তাদের শিশুকন্যাকে নিয়ে স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদনের জন্য ধর্নায় বসলেন। তুফানগঞ্জ মহকুমার বক্সিরহাট থানার অন্তর্গত বাকলা গ্রামের মৃদুল সাহা ভিন রাজ্যের এক কোম্পানি তে ইলেক্ট্রিসিয়ান এর কাজ করতেন। ১০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় তার হাত পুড়ে গেলে তার কাজ চলে যায়। তারপর থেকে কাজের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে গিয়েছেন। কিন্তু কাজ জোটেনি। তার আবেদনের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশে তুফানগঞ্জ ২ নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তার মানবিক পেনশন চালু করার কথা বলেন। কিন্তু মানবিক পেনশনের ১০০০ টাকায় সংসার চালানো অসুবিধা জনক। তাছাড়া তার কোনো সঠিক আশ্রয় নেই। তাই ,তুফানগঞ্জ ২ নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে আশ্রয় ও কাজের আবেদন জানান। সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তখন বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলেন। তার পর থেকে , কয়েক বছর কেটে গেলেও তার কোনো আশ্রয় ও কাজ জোটেনি। হতাশ মৃদুলবাবু , আজ তার স্ত্রী মায়া সাহা রায় ও কন্যা মৌমিতা সাহা রায় কে নিয়ে তাদের স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদন মঞ্জুরের দাবি জানিয়ে কোচবিহার জেলাশাসকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধর্ণা চলছে।
কাজ এবং আশ্রয় না পেয়ে বুধবার এক প্রতিবন্ধী দম্পতি কোচবিহার জেলা শাসকের অফিসের সামনে তাদের শিশুকন্যাকে নিয়ে স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদনের জন্য ধর্নায় বসলেন। তুফানগঞ্জ মহকুমার বক্সিরহাট থানার অন্তর্গত বাকলা গ্রামের মৃদুল সাহা ভিন রাজ্যের এক কোম্পানি তে ইলেক্ট্রিসিয়ান এর কাজ করতেন। ১০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় তার হাত পুড়ে গেলে তার কাজ চলে যায়। তারপর থেকে কাজের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে গিয়েছেন। কিন্তু কাজ জোটেনি। তার আবেদনের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশে তুফানগঞ্জ ২ নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তার মানবিক পেনশন চালু করার কথা বলেন। কিন্তু মানবিক পেনশনের ১০০০ টাকায় সংসার চালানো অসুবিধা জনক। তাছাড়া তার কোনো সঠিক আশ্রয় নেই। তাই ,তুফানগঞ্জ ২ নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে আশ্রয় ও কাজের আবেদন জানান। সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তখন বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলেন। তার পর থেকে , কয়েক বছর কেটে গেলেও তার কোনো আশ্রয় ও কাজ জোটেনি। হতাশ মৃদুলবাবু , আজ তার স্ত্রী মায়া সাহা রায় ও কন্যা মৌমিতা সাহা রায় কে নিয়ে তাদের স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদন মঞ্জুরের দাবি জানিয়ে কোচবিহার জেলাশাসকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধর্ণা চলছে।

No comments