মদ্যপ
অবস্থায় স্কুলের ভেতরে ঢুকে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠল এক অভিভাবকের বিরুদ্ধে। আজ সকালে কোচবিহার ১ নং ব্লকের ছাট ঘুঘুমারি আরআর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গেছে, আহত ওই স্কুল শিক্ষকের নাম ধীরাজ চক্রবর্তী। এই ঘটনায় স্কুলেরই এক ছাত্রীর অভিভাবকের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় এসে স্কুলের শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।ওই স্কুলের শিক্ষক রাজ চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, আজ সকাল আনুমানিক ১১ টা নাগাদ স্কুলের এক ছাত্রীর বাবা ও তার এক আত্মীয় মদ্যপ অবস্থায় স্কুলের ভিতরে ঢুকে অন্য ছাত্রছাত্রীদের মারধর করতে থাকে। সে সময় আমি তাদের বাধা দিতে যাই। তখন তারা আমাকে বেধড়ক মারধর করে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। আমার মুখে আঘাত লেগেছে। এদিকে ওই ঘটনার খবর পেয়েই প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ছুটে আসে। পরে কোচবিহার কোতোয়ালী থানায় খবর দিলে পুলিশে এসে অভিযুক্ত অভিভাবককে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।প্রসঙ্গে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নন্দিনী মিত্র বলেন, এদিন সকালে একজন অভিভাবক স্কুলে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের মারধর শুরু করে। তা দেখে স্কুলের শিক্ষক ধীরাজ চক্রবর্তী বাধা দিতে গেলে তাকে বেধড়ক মারধর করে তারা। এরপর খবর পেয়ে আমরা দুইও জন শিক্ষিকা ওই ক্লাস রুমে গিয়ে দেখি ওই শিক্ষকের মুখে ঘুশি মেরে ফেলে দেয়। ওই শিক্ষকের মুখ দিয়ে সমানে রক্তও বের হয়েছে। খবর পেয়ে পাশের হাইস্কুল থেকে শিক্ষকরা ছুটে আসে এবং পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ওই ব্যাক্তিকে আটক করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় কোচবিহার কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানিয়েছেন।
অবস্থায় স্কুলের ভেতরে ঢুকে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠল এক অভিভাবকের বিরুদ্ধে। আজ সকালে কোচবিহার ১ নং ব্লকের ছাট ঘুঘুমারি আরআর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গেছে, আহত ওই স্কুল শিক্ষকের নাম ধীরাজ চক্রবর্তী। এই ঘটনায় স্কুলেরই এক ছাত্রীর অভিভাবকের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় এসে স্কুলের শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।ওই স্কুলের শিক্ষক রাজ চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, আজ সকাল আনুমানিক ১১ টা নাগাদ স্কুলের এক ছাত্রীর বাবা ও তার এক আত্মীয় মদ্যপ অবস্থায় স্কুলের ভিতরে ঢুকে অন্য ছাত্রছাত্রীদের মারধর করতে থাকে। সে সময় আমি তাদের বাধা দিতে যাই। তখন তারা আমাকে বেধড়ক মারধর করে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। আমার মুখে আঘাত লেগেছে। এদিকে ওই ঘটনার খবর পেয়েই প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ছুটে আসে। পরে কোচবিহার কোতোয়ালী থানায় খবর দিলে পুলিশে এসে অভিযুক্ত অভিভাবককে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।প্রসঙ্গে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নন্দিনী মিত্র বলেন, এদিন সকালে একজন অভিভাবক স্কুলে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের মারধর শুরু করে। তা দেখে স্কুলের শিক্ষক ধীরাজ চক্রবর্তী বাধা দিতে গেলে তাকে বেধড়ক মারধর করে তারা। এরপর খবর পেয়ে আমরা দুইও জন শিক্ষিকা ওই ক্লাস রুমে গিয়ে দেখি ওই শিক্ষকের মুখে ঘুশি মেরে ফেলে দেয়। ওই শিক্ষকের মুখ দিয়ে সমানে রক্তও বের হয়েছে। খবর পেয়ে পাশের হাইস্কুল থেকে শিক্ষকরা ছুটে আসে এবং পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ওই ব্যাক্তিকে আটক করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় কোচবিহার কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানিয়েছেন।

No comments