এখন আম-লিচুর মরসুম। এই সময় আম ও লিচু গাছে নানাবিধ সমস্যা দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে ফলঝরা রোগটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চাষিরা আম ও লিচুর ফলঝরা সমস্যা নিয়ে অনেক চিন্তায় থাকেন। তবে ফলঝরা রোধে কিছু করণীয় রয়েছে। আসুন জেনে নেই কী করতে হবে ফলঝরা রোধ করতে-
১. বর্ষার শুরুতে বা শেষে প্রতিটি গাছের গোড়ার মাটি ভালোভাবে খুড়ে বয়সভেদে সার দিতে হবে।
২. দুপুর বেলা (সূর্য ঠিক মাথার উপর) গাছের নিচে যতটুকু ছায়া পড়ে ততটুকু জায়গায় সার দেবেন।
৩. ফলঝরা রোগে আক্রান্ত আম ও লিচু গাছের গোড়ায় অবশ্যই সার প্রয়োগ করতে হবে।
৪. ফল যখন মোটর দানার মতো থাকে; তখন মাটিতে রস না থাকলে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. প্রতি লিটার জলে ২ গ্রাম হারে ৫-৭ দিন পর পর ২-৩ বার ওষুধ স্প্রে করতে হবে।
৬. একই হারে যে কোনো ম্যানকোজেব এবং কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।
৭. মাছিপোকার আক্রমণে ফল ঝরে গেলে প্রতি বিঘার জন্য ১০-১২টি সেক্স ফেরোমন ব্যবহার করবেন।
৮. কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগের ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃষ্টি হলে আবার স্প্রে করতে হবে।
১. বর্ষার শুরুতে বা শেষে প্রতিটি গাছের গোড়ার মাটি ভালোভাবে খুড়ে বয়সভেদে সার দিতে হবে।
২. দুপুর বেলা (সূর্য ঠিক মাথার উপর) গাছের নিচে যতটুকু ছায়া পড়ে ততটুকু জায়গায় সার দেবেন।
৩. ফলঝরা রোগে আক্রান্ত আম ও লিচু গাছের গোড়ায় অবশ্যই সার প্রয়োগ করতে হবে।
৪. ফল যখন মোটর দানার মতো থাকে; তখন মাটিতে রস না থাকলে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. প্রতি লিটার জলে ২ গ্রাম হারে ৫-৭ দিন পর পর ২-৩ বার ওষুধ স্প্রে করতে হবে।
৬. একই হারে যে কোনো ম্যানকোজেব এবং কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।
৭. মাছিপোকার আক্রমণে ফল ঝরে গেলে প্রতি বিঘার জন্য ১০-১২টি সেক্স ফেরোমন ব্যবহার করবেন।
৮. কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগের ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃষ্টি হলে আবার স্প্রে করতে হবে।


No comments