হারেন্দ্রগার্থ রাজস্থানের বান্সওয়ারা শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের আদিবাসীদের এক গ্রাম। সে গ্রামের মানুষরা একটা বিষয় খুব মেনে চলেন। তাদের বিশ্বাস, যদি পুরুষরা ঘরের শেষ রুটিটা খান তবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়বেন। শেষ রুটি বলতে আটার উচ্ছিষ্টংশ দিয়ে শেষে যে রুটিটা বানানো হয়ে সেটাকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, পুরুষদের উচ্ছিষ্ট খাওয়া চলবে না।
কাজেই সে খাবারটা নারীদের জন্যেই বরাদ্দ। এ নিয়ম পালন করেছেন গ্রামের সরলা বারিয়া। মেনেছেন তার শাশুড়ি এবং আদি প্রজন্মের মহিলারা। সরলা জানালেন, এ গ্রামের মহিলারা সকালে গরম গরম রুটি বানায়। বাড়ির পুরুষরা খাওয়ার পর যা থাকে মূলত তাই খেতে হয় মহিলাদের। এটা নিয়ম, এটাই বিধি। এখানে এটাই সংস্কৃতি। কিন্তু আধুনিকমনা অনেকেই মহিলাদের পরিবারের সঙ্গে নাস্তা খেতে উৎসাহিত করছেন।
আমলিপাড়া গ্রামের আমুলি ঘারাসিয়া বললেন তার কথা। জানালেন, যখন তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বসে খেতে শুরু করলেন, তখন তার শ্বশুর বাড়ির লোকেরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ল। তারা প্রায় সময় খাবার লুকিয়ে তাকে অভুক্ত রাখতো। অনেক রাতই তার না খেয়ে কেটেছে। বললেন, এ নিয়ে আমি আমার স্বামীর সঙ্গে অনেক ঝগড়া করেছি। কত কত রাত কেঁদে কাটিয়েছি!
ভি/ডি
No comments