বহু বছর ধরে এত অনুরোধ তাকে কেউ রাজি করাতে পারেন নি। ফিল্মের অফার নিয়ে মুম্বইয়ের পরিচালক থেকে কলকাতার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পর্যন্ত কথা বলেছেন। নাম ভূমিকায় নামার একাধিক প্রস্তাব এসেছে। ভেবে-টেবে দেখছি করে পাশ কাটিয়েছেন। শেষমেশ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ১৪২৬-এর ১৯ শে শ্রাবণ নেমেই পড়লেন! ফিল্ম নয়, সিরিয়ালের সংক্ষিপ্ত দৃশ্যে।
সিরিয়ালের নাম ‘বকুলকথা’। জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল। এদিন রাজারহাটে একই চ্যানেলের ‘দাদাগিরি’ শুট করার ফাঁকে আধঘণ্টার মতো ‘বকুলকথা’র জন্য শুট করলেন বাঙালির দাদা। সকালে ‘দাদাগিরি’র একটা এপিসোড শুট করে সিরিয়াল শুটিং। আবার ফিরে যাওয়া রিয়েলিটি শোর ফ্লোরে। বকুলকথার শুটিং হয় শহরের একেবারে অন্যপ্রান্তে।
ভিলাইন স্টুডিওস। দাদার পাড়া বেহালায়। কিন্তু সৌরভের সিকোয়েন্সের জন্য পুরো ইউনিটকে এদিন নিয়ে আসা হয় রাজারহাটে। জি বাংলার তরফে সম্রাট ঘোষ বললেন, “দাদাকে রাজি করাতে পেরে আমরা উচ্ছ্বসিত বললে কম বলা হয়। আমাদের টিম বহুদিন ধরে ওঁর সঙ্গে কথা বলছিল।” জানা গেল ১৩-১৫ আগস্ট তাঁর অভিনীত দৃশ্যগুলো দেখা যাবে। সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি এবং নাম ভূমিকায়।
গল্পে থাকবে বকুল তাঁর সঙ্গী সাথীদের নিয়ে ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছে। বকুলের বাবা কনস্টেবল। বাবার সঙ্গে প্রতিনিয়ত ক্রিকেট নিয়ে তার আলোচনা হয়। তার হিরো সৌরভ গাঙ্গুলি। সৌরভের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তিনি গাড়ি থেকে নেমে এদের জন্য ব্যাটে অটোগ্রাফ দিচ্ছেন। তারপর উৎসাহিত করছেন ম্যাচে ভাল খেলার জন্য। জি বাংলার তরফে খবরটা এখনও যথাসম্ভব গোপন রাখা হচ্ছে। যতদূর জানা গেল, স্ক্রিন টাইম দাঁড়াবে ১৫/১৭ মিনিট।
ভি/ডি
No comments