নিজস্ব প্রতিনিধি,৫জুলাই: মিলনকে কেউ কেউ ‘মুক্তি’ নামেই অভিহিত করেন। আর তা করবেনই না কেন? মিলনাকাঙ্খা প্রবল হলে সহজে কি যায় চলে, এই আকুতি। মিলন অনুভূতিতেই যে তার মুক্তি! কিন্তু যদি এমন হয়, মিলনের তীব্র আকাঙ্খা হলো, হলো মিলন ও চরম অনুভূতি। অথচ মিললো না কেবল মুক্তি! যদি বলেন, তা কিভাবে? তবে শুনুন দুটি কাহিনী-
ঘটনা ১: চলতি বছরেই কয়েকদিন আগে চীনে যৌনকর্মীর সঙ্গে সঙ্গমের সময় মৃত্যু বৃদ্ধের। যোনি সঙ্কোচনের ফলে সঙ্গমরত অবস্থাতেই আটকে পড়েছিলেন দু’জন। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাদের আলাদা করতে হয়।
ঘটনা ২: ১৫ বছর আগে ২০০১ সালে মালয়েশিয়ার ইপহ গ্রামে সঙ্গমের সময় ঠিক এভাবেই আটকে পড়েছিলেন এক দম্পতি। তাদেরও আলাদা করতে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল।
শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনা ঘটতেই পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকরা। ঠিক কী কারণে হয় এমন?
সুইস চিকিত্সক অ্যারিস্টোমেনিস এক্সাদাতিলোস জানাচ্ছেন, অনেকেই সেক্সের পর মাইগ্রেন, হার্টের সমস্যা, অ্যামনেশিয়ায় ভোগেন। কিন্তু সেক্সের পর যোনির মধ্যে পুরুষাঙ্গ আটকে যাওয়ার ঘটনাকে তিনি মিথ ছাড়া কিছুই ভাবতে রাজি নন। অন্যদিকে নিজের জীবনেই এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলা। তিনি বলেন, একদিন রাতে সেক্সের পর আমার স্বামী লিঙ্গ বের করতে পারছিলেন না। আমি ভেবেছিলাম ওরগ্যাজমের সময় আমার যোনির পেশী সঙ্কোচনের ফলে এমনটা হয়েছে।একই রকম ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন দক্ষিণ ইংল্যান্ডের জন। তিনি বলেন, মার্চেন্ট নেভিতে থাকার সময় এক জাপানি মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছিল। তার সঙ্গে সেক্সের সময় একবার বুঝতে পারি আমি বেরোতে পারছি না। প্রায় দু’তিন মিনিট আটকে ছিলাম। বলতে বলতে হেসে ফেলেছিলেন ৭৫ বছরের জন।এই ঘটনাকে একেবারেই বিরল বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ জন ডিন বলেন, এই সব ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ যোনিতে প্রবেশের পর অতিরিক্ত ফুলে যায়। অরগ্যাজমের সময় যোনির পেশী সঙ্কোচন হয়। ফলে পুরুষাঙ্গের উপর চাপ প়ড়ে। একে ডাক্তারি পরিভাষায় বে ক্যাপটিভ পেনিস বলা হয়ে থাকে। যাদের পোষা কুকুর রয়েছে তারা অনেক সময়ই পোষ্যদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। ১৯০৮ সালে তার সেক্সুয়াল লাইফ অফ আওয়ার টাইম বইতে ইওয়ান ব্লচ ক্যাপটিভ পেনিস ঘটনার উল্লেখ করেছিলেন। জার্মানির ব্রেমেন ডকে যোনির পেশী সঙ্কচোনের কারণে ক্যাপটিভ পেনিসের সমস্যায় পড়েন এক দম্পতি। তাদের জন্য ভিড় জমে গিয়েছিল ডকে। পর হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে তাদের আলাদা করা হয়।
ঘটনা ২: ১৫ বছর আগে ২০০১ সালে মালয়েশিয়ার ইপহ গ্রামে সঙ্গমের সময় ঠিক এভাবেই আটকে পড়েছিলেন এক দম্পতি। তাদেরও আলাদা করতে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল।
শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনা ঘটতেই পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকরা। ঠিক কী কারণে হয় এমন?
সুইস চিকিত্সক অ্যারিস্টোমেনিস এক্সাদাতিলোস জানাচ্ছেন, অনেকেই সেক্সের পর মাইগ্রেন, হার্টের সমস্যা, অ্যামনেশিয়ায় ভোগেন। কিন্তু সেক্সের পর যোনির মধ্যে পুরুষাঙ্গ আটকে যাওয়ার ঘটনাকে তিনি মিথ ছাড়া কিছুই ভাবতে রাজি নন। অন্যদিকে নিজের জীবনেই এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলা। তিনি বলেন, একদিন রাতে সেক্সের পর আমার স্বামী লিঙ্গ বের করতে পারছিলেন না। আমি ভেবেছিলাম ওরগ্যাজমের সময় আমার যোনির পেশী সঙ্কোচনের ফলে এমনটা হয়েছে।একই রকম ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন দক্ষিণ ইংল্যান্ডের জন। তিনি বলেন, মার্চেন্ট নেভিতে থাকার সময় এক জাপানি মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছিল। তার সঙ্গে সেক্সের সময় একবার বুঝতে পারি আমি বেরোতে পারছি না। প্রায় দু’তিন মিনিট আটকে ছিলাম। বলতে বলতে হেসে ফেলেছিলেন ৭৫ বছরের জন।এই ঘটনাকে একেবারেই বিরল বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ জন ডিন বলেন, এই সব ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ যোনিতে প্রবেশের পর অতিরিক্ত ফুলে যায়। অরগ্যাজমের সময় যোনির পেশী সঙ্কোচন হয়। ফলে পুরুষাঙ্গের উপর চাপ প়ড়ে। একে ডাক্তারি পরিভাষায় বে ক্যাপটিভ পেনিস বলা হয়ে থাকে। যাদের পোষা কুকুর রয়েছে তারা অনেক সময়ই পোষ্যদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। ১৯০৮ সালে তার সেক্সুয়াল লাইফ অফ আওয়ার টাইম বইতে ইওয়ান ব্লচ ক্যাপটিভ পেনিস ঘটনার উল্লেখ করেছিলেন। জার্মানির ব্রেমেন ডকে যোনির পেশী সঙ্কচোনের কারণে ক্যাপটিভ পেনিসের সমস্যায় পড়েন এক দম্পতি। তাদের জন্য ভিড় জমে গিয়েছিল ডকে। পর হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে তাদের আলাদা করা হয়।
from aaj now | আজ নাউ | https://ift.tt/2Xsv4iC

No comments