জীবন কখনো কষ্টকর, কিন্তু জীবন উপভোগ্য। যখনই জীবনের কোনো একটা পর্যায়ে এসে থমকে যাবে, পরের পদক্ষেপটার কথা ভাববে। অন্যকে ঘৃণা করে জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করার চেয়ে এগিয়ে যাওয়া উত্তম। প্রতিটি যুক্তিতে জিততেই হবে, এমন ভাবার কোনো মানে নেই। একা কাঁদার চেয়ে অন্যের সঙ্গে দুঃখ ভাগ করে নিলে কষ্ট অনেক কমে যায়।
প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও যদি ছেলে বা মেয়েটি পুরনো ভালোবাসার মানুষকে লক্ষ্য করে জোরে জোরে বকাবকি বা রাগের কথা বলে, তাহলে বুঝতে হবে যে- সে তার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে কিছুতেই ভুলতে পারছে না। অন্যদিকে কেউ যদি স্বাভাবিকভাবে কথা বলে, বুঝতে হবে যে পুরনো সম্পর্কটা তার কাছে চূড়ান্তভাবেই শেষ হয়ে গেছে।
জীবনসঙ্গী, পার্টনার বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন যদি সুস্থ ও সুখি থাকে, তাহলে অপরজনও স্বাভাবিকভাবে সুখি ও সুস্থ বোধ করে। আসলে সুখি ও সুস্থ মানুষের কাছ থেকে বেশি সহানুভূতি প্রত্যাশা করতে পারেন আপনি। যুগলজীবনের চলার পথে ঝগড়া, রাগ, অভিমান থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে তো আর এসব নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। বরং ঝগড়া বা মন খারাপ হলে বর্তমানকে না ভেবে আগামী বছর দু’জন মিলে কিছু করার কথা ভাবুন। দেখবেন দ্বন্দ্ব মিটে গিয়ে সব সহজ হয়ে গেছে।
ডিভোর্স, আলাদা থাকা বা মৃত্যু– যেকোনো কারণে বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটলে স্ত্রীর তুলনায় স্বামী কষ্টে বেশি ভোগে। এমনকি এ কারণে বয়স্ক স্বামীর মৃত্যুও এগিয়ে আসতে পারে। তবে মন খারাপ বা ঝগড়া হলে বিয়োগান্তক নাটক বা সিনেমা দেখুন, কাঁদুন, চোখের পানি ফেলুন।
কারণ চোখের জল রাগ, দুঃখ, ব্যথাকে চাপা দিয়ে আবেগকে জাগিয়ে তোলে এবং একসাথে মিলেমিশে থাকার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।
from Daily Bangla http://bit.ly/2X3Z3t2

No comments