বিয়ে করলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। সম্প্রতি ৩৫ লাখ বিবাহিত লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণায় দেখা যায়, বিবাহিত ব্যক্তিদের (নারী বা পুরুষ যে-ই হোক না কেন) হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৫ শতাংশ কম হয়।
বিশেষ করে পেরিফেরাল ধমনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৯ শতাংশ কমে যায়। এ রোগে আক্রান্তদের পায়ে রক্ত সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিবাহিতদের সেরেব্রোয়াসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায় ৯ শতাংশ। এ রোগে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। তবে তরুণ বিবাহিতদেরই লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। যেসব দম্পতির বয়স ৫০ বছরের নিচে, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১২ শতাংশ কম হয়ে থাকে।
বিধবা বা বিপত্নীকদের মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩ শতাংশ বেশি। ধূমপায়ীদের মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং বিধবাদের সবচেয়ে কম। বিবাহবিচ্ছেদের পর মোটা হওয়ার প্রবণতাও বেড়ে যায়। এ ছাড়া বিধবাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং অপর্যাপ্ত ব্যায়াম করারও সমস্যা দেখা যায়।
নিউইয়র্কের ল্যাঙ্গন মেডিকেল সেন্টারের কার্ডিওলজিস্ট ও গবেষণা দলের প্রধান জেফরি বারজার এ সম্পর্কে বলেন, বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী তাদের সঙ্গীদের প্রতি অনেক বেশি মনোযোগী হয়ে থাকেন। এ কারণে তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
তিনি আরও বলেন, ‘তাই আমার কোনো রোগীর বিবাহবিচ্ছেদ হলে বা সঙ্গী মারা গেলে আমি তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করি। তার হৃদযন্ত্রে কোনো সমস্যা দেখা দিল কি-না বা হতাশায় আক্রান্ত হলেন কি-না, তা খুঁটিয়ে দেখি।’
from Daily Bangla http://bit.ly/2Qh4MsD

No comments