নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাইস ডেইলি, ২৯মার্চঃ- পাওয়ানা পাচ শ টাকা না দেওয়ার অভিযোগে সুরেশ ঠাকুর নামে এক কিশোরকে খুন করল দুই কিশোর।মৃত কিশোর কে ঘরের মধ্যে মাটিতে পুতে রাখে। খুজাখুজির পর তাকে কয়লার ছাই থেকে কিশোরের দেহ উদ্ধার হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানার সূর্যাপুর বাজার।খুন করার অভিযোগে সন্তোষ যাদব নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য আরেক কিশোর শিবু মুর্মু পলাতক।জানা গেছে,সূর্যাপুর বাজারে মিষ্টির দোকানে কাজ করত সন্তোষ যাদব এবং শিবু মুর্মু।তার পাশের একটি সেলুনের দোকান ছিল সুরেশ ঠাকুরের। মিষ্টি দোকানের দুই কিশোরের সংগে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল সুরেশের।সুরেশ তাদের কাছ থেকে পাচ শ টাকা ধার নেয়।দীর্ঘদিন যাবদ সেই টাকা শোধ করতে পারে নি সুরেশ আজ ভোরে সুরেশ দোকানে এলে সন্তোষ তার কাছে পাওনা টাকা দাবি করে। সুরেশ টাকা দিতে অপরাগ থাকায় দোকানে হাম্বল দিস্তা দিয়ে তার মাথ্য মারে।ঘটনাস্থলেই সুরেশের মৃত্যু হয়।ঘটনার পর সন্তোষ এবং শিবু দুইজনে ঘরে ভিতর কয়লার ছাইএর তলায় দেহ লুকিয়ে রাখে।বেলা বাড়লেও সুরেশের দেখা না মেলায় তার খোজাখুজি শুরু হয়।স্থানীয় মানুষ ছাই এর তলা থেকে দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সন্তোষকে গ্রেপ্তার করতে পারলে ও শিবু পলাতক।পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।শিবু খোজে তল্লাশী শুরু হয়েছে।অভিযুক্ত দুই জনের বাড়ি বিহারের বাইশি।
নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাইস ডেইলি, ২৯মার্চঃ- পাওয়ানা পাচ শ টাকা না দেওয়ার অভিযোগে সুরেশ ঠাকুর নামে এক কিশোরকে খুন করল দুই কিশোর।মৃত কিশোর কে ঘরের মধ্যে মাটিতে পুতে রাখে। খুজাখুজির পর তাকে কয়লার ছাই থেকে কিশোরের দেহ উদ্ধার হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানার সূর্যাপুর বাজার।খুন করার অভিযোগে সন্তোষ যাদব নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য আরেক কিশোর শিবু মুর্মু পলাতক।জানা গেছে,সূর্যাপুর বাজারে মিষ্টির দোকানে কাজ করত সন্তোষ যাদব এবং শিবু মুর্মু।তার পাশের একটি সেলুনের দোকান ছিল সুরেশ ঠাকুরের। মিষ্টি দোকানের দুই কিশোরের সংগে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল সুরেশের।সুরেশ তাদের কাছ থেকে পাচ শ টাকা ধার নেয়।দীর্ঘদিন যাবদ সেই টাকা শোধ করতে পারে নি সুরেশ আজ ভোরে সুরেশ দোকানে এলে সন্তোষ তার কাছে পাওনা টাকা দাবি করে। সুরেশ টাকা দিতে অপরাগ থাকায় দোকানে হাম্বল দিস্তা দিয়ে তার মাথ্য মারে।ঘটনাস্থলেই সুরেশের মৃত্যু হয়।ঘটনার পর সন্তোষ এবং শিবু দুইজনে ঘরে ভিতর কয়লার ছাইএর তলায় দেহ লুকিয়ে রাখে।বেলা বাড়লেও সুরেশের দেখা না মেলায় তার খোজাখুজি শুরু হয়।স্থানীয় মানুষ ছাই এর তলা থেকে দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সন্তোষকে গ্রেপ্তার করতে পারলে ও শিবু পলাতক।পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।শিবু খোজে তল্লাশী শুরু হয়েছে।অভিযুক্ত দুই জনের বাড়ি বিহারের বাইশি।

No comments