ফেব্রুয়ারী
15
পুলওয়ামার
হামলার পর এয়ার চিফ মার্শাল বীরেন্দ্র সিং ধোনো একটি নক্সা উপস্থাপন করেন। সরকার সেই প্রস্তাবটি
অনুমোদন করে।
ফেব্রুয়ারী
16-20
ভারতীয়
বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনী বেশ কিছু এয়ার ড্রোন সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ লাইন বরাবর বসিয়ে
নজরদারি করে।
ফেব্রুয়ারী
20-22
আইএএফ
এবং গোয়েন্দা সংস্থা এক সাথে বসে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের ' টার্গেট লেবেল ' তৈরি করে ।
ফেব্রুয়ারী
21
জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বিমান
বাহিনী দিয়ে আক্রমণের টার্গেট উপস্থাপন করেন ।
ফেব্রুয়ারী
22
আইএএফ
এর এক স্কোয়াড্রন 'টাইগারস' এবং সাত স্কোয়াড্রন 'যুদ্ধ অ্যাক্সেস' অপারেশনের জন্য তৈরি করা হয়েছে। দুই
মিরাজ স্কোয়াড্রন এই মিশনের জন্য 1২ টি জেট নিয়োগ করা হয়।
ফেব্রুয়ারি
২4
অপারেশনের
জন্য জেট ভটিন্ডা এবং আগ্রার মিড-এয়ার রেফিউলারের সাথে একটি ট্রায়াল রান
পরিচালিত হয়।
ফেব্রুয়ারী
25-26
অপারেশন
শুরু হয়। 12 মিরাজ 2000 গোয়ালিয়র থেকে উড়ে তারা লেজার নির্দেশিত ঘাঁটিতে বোমা ফেলে।
এই মিশনটি ভোর রাত 3.20 থেকে 3.30 টা পর্যন্ত চলে।
ফেব্রুয়ারী
26
এনএসএ
অজিত দোভাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সংক্ষিপ্ত ভাবে গোটা অপারেশন সম্পর্কে
জানান ।

No comments