ঔষধি গাছ - VD

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Breaking News:

latest

ঔষধি গাছ

১। প্রচলিত নাম তোকমা, তুলসী হলেও 'বিলাতী তুলসী' হিসাবেই সকলের কাছে পরিচিত। সারা বছরই এই উদ্ভিদ পাওয়া যায়। গাছ মাঝারি আকারের গুল্মজাতীয়। লম্বায় বেশি বড় হয় না। ৩ থেকে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার প্রশস্ত পা…




১। প্রচলিত নাম তোকমা, তুলসী হলেও 'বিলাতী তুলসী' হিসাবেই সকলের কাছে পরিচিত। সারা বছরই এই উদ্ভিদ পাওয়া যায়। গাছ মাঝারি আকারের গুল্মজাতীয়। লম্বায় বেশি বড় হয় না। ৩ থেকে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার প্রশস্ত পাতায় রয়েছে ঝাঁঝালো গন্ধ। ডাল কিঞ্চিত লোমশ। নিম্নস্থল ঘন লোমযুক্ত। ফুল খুবই ছোট। ফুলের সাথে ছোট ছোট কালো রংয়ের বীজ উৎপন্ন হয়। এই উদ্ভিদটির পাতা, ফুল, শেকড়সহ সবই ব্যবহার করা যায়।  ফার্মাকোলজিক্যাল অ্যাকশন- উদ্দীপক, পাকস্থলীর বায়ুনাশক। উদ্ভিদ বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়- সুগন্ধি তৈরিতে এবং পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত চামড়া রোগ, নানারকম স্কিন সমস্যা, পুরাতন সর্দি কাশিতে এর ব্যবহার হয়ে আসছে। এর পাতার রস অ্যান্টিসপাসমোডিক এবং অ্যান্টিরহোম্যাটিক, এ রস ব্যবহার করা হয় ক্যান্সার এবং টিউমার রোগে।





২। প্রচলিত নাম ভারতীয় শাক। স্থানীয় নাম পুঁইশাক। সারা দেশে শাক হিসাবে এটি একটি নিয়মিত খাবার। এর পাতা নরম, মসৃণ, চকচকে, মোমীয়। ছোট ছোট বৃত্তাকার ফল হয়ে থাকে। সারা বছরই থাকে এ উদ্ভিদ। এটি লতানো প্রকৃতির। আকারে ১০ মি. লম্বা হয়ে থাকে। লতাগুলো কিঞ্চিত মোটা, নরম। এর পাতাগুলো হৃদয়াকৃতির। এই উদ্ভিদের পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়। লতানো ডালও খাওয়ার উপযোগী। এমনকি এর ফলও অনেকে রান্না করে খেয়ে থাকেন। ফার্মাকোলজিক্যাল অ্যাকশন- ডাই ইউরেটিক, ত্বক মসৃণকারক। এই উদ্ভিদের পাতার রস কব্জির ব্যথা উপশম করতে ব্যবহৃত হয়। ফুসকুড়ি, কানের সমস্যা, নাকের সমস্যা, গনোরিয়া, আলসার অন্ত্রের সমস্যা সহ আরো নানা সমস্যায় এটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।





৩। প্রচলিত নাম মোরগের ঝুড়ি, কয়লা ঘাস। স্থানীয় নাম মোরগফুল। গুল্মজাতীয় এই উদ্ভিদ খুব একটা লম্বা হয় না। ৩ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে আর ১ ফুট পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকে। যেখানে সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে, সেসব জায়গায় এই উদ্ভিদ ভালো জন্মায়।  এর ফুল বিভিন্ন রংয়ের হয়ে থাকে- লাল, গোলাপি, হলুদ, সাদা রংয়ের ফুল ফোটে। ফুলগুলো দেখলে মনে হয় স্তরে স্তরে সাজানো। ফুলগুলো মোলায়েম। এই উদ্ভিদের পাতা, শিকড়, ডালপালা, ফুলসহ সব অংশই ব্যবহারযোগ্য। ফার্মাকোলজিক্যাল অ্যাকশন- প্রদাহ রোধকারী। ডায়রিয়া, রক্তের সমস্যা, মুখের ঘা, চোখের সমস্যাসহ আরো নানা রোগে এই উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।





৪। 'অ্যালোভেরা' নাম হলেও স্থানীয় নাম ঘৃতকুমারী। বর্তমানে অ্যালোভেরা পাতা নামেই বেশি পরিচিত এবং জনপ্রিয়। আগে এই উদ্ভিদ বনে জঙ্গলে বেড়ে উঠলেও বর্তমানে এর উপকারিতার কথা জেনে অনেকেই বাসায় টবে লাগাচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবেও এই উদ্ভিদ এখন চাস হচ্ছে। পাতাগুলো বড়, পুরু ও মাংসল। পাতার প্রান্ত তীক্ষ্ণ। পাতার ভেতর থাকা আঠালো শাঁস উপকারী। পাতার রং উজ্জ্বল গাঢ় সবুজ। এই উদ্ভিদের পাতা, শেকড় সহ সব অংশই ব্যবহার করা যায়।  ফার্মাকোলজিক্যাল অ্যাকশন- বিশোধক, পরজীবী বিনাশকারী। পাতার রস বা শাঁস অনেক রোগের টনিকের মত কাজ করে। তবে সরাসরি এই রস ব্যবহার করলে তাতে উপকারের বদলে ক্ষতি হবে। গাছ থেকে পাতা কেটে কিছুক্ষণ আলাদা রাখতে হবে। তাতে পাতা থেকে একটা রস আপনা আপনি আলাদা হয়ে যাবে, যেটির রং হবে হলুদ। এই হলুদ রসটা আলাদা করে তারপর পাতার উপরের অংশ ছুরি দিয়ে কেটে কাঁটা চামচ দিয়ে ভেতরের শাঁসটা বের করে নিলেই হবে। এই শাঁস বিভিন্ন রোগের ঔষধ। কাশি, দুর্বলতা, ডিস্পেনিও, হাঁপানি, জন্ডিস সহ আরো নানা রোগে ব্যবহার হয়। ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অ্যালোভেরার জেল মহৌষধের কাজ করে। সকালবেলা খালি পেটে এক গ্লাস অ্যালোভেরার রস খেলে পেটের যেকোনো রোগ থেকে মুক্তি মেলে।




৫। স্থানীয় নাম অশোক। এটা মাঝারি আকারের উদ্ভিদ। কমলা, কমলা হলুদ রংয়ের ফুল হয়। পাতাগুলো গাঢ় সবুজ রংয়ের। ফুলগুলো গুচ্ছকারে হয়ে থাকে। পাতা শিরাবিন্যাস যুক্ত। এই উদ্ভিদের বাকল, পাতা, মূল ব্যবহারের উপযুক্ত। ফার্মাকোলজিক্যাল অ্যাকশন- টিউমার ও ক্যান্সার প্রতিরোধী। গর্ভাশয়ে প্রদাহজনিত, রক্তক্ষরণে, পাইলস, আলসার, ব্রণ, পেট ব্যথাসহ আরো নানা রোগে এই উদ্ভিদের বাকল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর ফুল ফুসফুস, সিফিলিস, ডাইশেনারিতে ব্যবহার করা হয়।




ভি-ডি-২

No comments